Advertisement

প্রভাস বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করতেই... কীভাবে বারুইপুর এনকাউন্টার? যা জানা যাচ্ছে

মঙ্গলবার মধ্যরাতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল বারুইপুর খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে।

মধ্যরাতে খুন, ধর্ষণে অভিযুক্তকে এনকাউন্টারমধ্যরাতে খুন, ধর্ষণে অভিযুক্তকে এনকাউন্টার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:04 AM IST
  • বারুইপুরে নাবালিকাকে খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়।
  • মধ্যরাতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের।
  • মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে।

বারুইপুরে নাবালিকাকে খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। মঙ্গলবার মধ্যরাতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে।

ঠিক কেন এনকাউন্টার করতে হল পুলিশকে?

পুলিশ সূত্রে খবর, ধরা পড়ার পর থেকেই তদন্তে কোনও রকম সহযোগিতা করছিল না অভিযুক্ত। পুলিশি জেরায় বারবার বয়ান বদল করছিল সে। তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ছিল। এমনকী নানা প্রশ্নের ভুলভাল উত্তরও দিচ্ছিল। তাই আসলে সেদিন কী ঘটনা ঘটেছিল, তা জানতে মঙ্গলবার মধ্যরাতেই তাকে নিয়ে বারুইপুরের ওই ঘটনাস্থল সূর্যপুরে হাজির হয় পুলিশ। উদ্দেশ্য ছিল ঘটনার পুনর্নিমাণ করা। 

কিন্তু অভিযোগ সেই সময়ই পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। রীতিমতো পুলিশের সার্ভিস রিভলবার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় পুলিশের দিকে গুলিও ছোড়ে সে। এই সময়ই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তাতে মৃত্যু হয় প্রভাসের। রক্তাক্ত অবস্থায় রাতেই অভিযুক্তকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, বারুইপুর খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডে প্রথমে গ্রেফতার করা হয়েছিল এই প্রভাস মণ্ডলকেই। তাকেই নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছিল CCTV-তে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বারুইপুরের ঘটনায় পুলিশি এনকাউন্টার উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকারের অনুকরণ বলেই মনে করছেন অধিকাংশ। 

অন্যদিকে, বারুইপুর খুন ধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে আরও একজন। নৃশংস ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কবীর মোল্লা নামে আরও এক মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বসিরহাট এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কবীরের গ্রেপ্তারির পরে এই চাঞ্চল্যকর মামলায় মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement