Advertisement

ব্যাটারিতে চলবে, থাকবে এসিও! এবার সল্টলেক-রাজারহাটেও ট্রাম চালানোর রুটম্যাপ

পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার ট্রাম পরিষেবার বর্তমান অবস্থা, সম্ভাব্য নতুন রুট এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা করবে রাইটস। এই কাজে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের ট্রাম পরিচালনা ও নগর পরিবহণ সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগানো হবে। ইতিমধ্যেই ট্রাম সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ও তথ্য রাইটসের হাতে তুলে দিয়েছে পরিবহণ দফতর।

কলকাতার রাস্তায় ট্রাম।-ফাইল ছবিকলকাতার রাস্তায় ট্রাম।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Jul 2026,
  • अपडेटेड 12:51 PM IST
  • কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রামকে আধুনিক রূপে ফিরিয়ে আনতে বড় পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।
  • অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের উন্নত ট্রাম প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে শহরে নতুন প্রজন্মের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত ট্রাম চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রামকে আধুনিক রূপে ফিরিয়ে আনতে বড় পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের উন্নত ট্রাম প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে শহরে নতুন প্রজন্মের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত ট্রাম চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সদ্য গঠিত রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই প্রকল্পের সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রাইটস-কে।

পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার ট্রাম পরিষেবার বর্তমান অবস্থা, সম্ভাব্য নতুন রুট এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা করবে রাইটস। এই কাজে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের ট্রাম পরিচালনা ও নগর পরিবহণ সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগানো হবে। ইতিমধ্যেই ট্রাম সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ও তথ্য রাইটসের হাতে তুলে দিয়েছে পরিবহণ দফতর।

দফতরের এক আধিকারিকের কথায়, ব্রিটিশ আমল থেকে কলকাতায় ট্রাম চললেও প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই পরিষেবায় তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ট্রামকে আধুনিক ও আরও কার্যকর করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

সরকারের দাবি, কলকাতার ট্রাম শুধু একটি গণপরিবহণ ব্যবস্থা নয়, শহরের ঐতিহ্য ও আবেগেরও প্রতীক। তবে গত কয়েক বছরে ট্রাম পরিষেবার পরিকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকারের অভিযোগ, আগের আমলে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ট্রাম-সংক্রান্ত বহু গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও জমি বিক্রি হয়ে যায়। ফলে অনেক জায়গায় ট্রামের কাঠামো থাকলেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আর অবশিষ্ট নেই।

এই পরিস্থিতিতে ট্রাম পরিষেবাকে নতুন করে গড়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে পরিবহণ দফতর। সমীক্ষায় বিশেষভাবে দেখা হবে, যেসব রুটে ট্রাম চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেখানে আবার পরিষেবা চালু করা সম্ভব কি না এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রামকে কীভাবে আরও দ্রুত, আরামদায়ক ও পরিবেশবান্ধব করা যায়।

পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, ট্রামের সবচেয়ে বড় শক্তি হল এটি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত পরিবহণ ব্যবস্থা। তাই এই পরিষেবাকে আর্থিকভাবে টেকসই করতে সরকার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলেও প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে, যাতে রাজ্যের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে।

Advertisement

সরকারের পরিকল্পনায় দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট পর্যন্ত একটি বিশেষ ট্রাম করিডর চালুর ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি গঙ্গা ও আদিগঙ্গা সংযোগকারী রুট, নিউটাউন, রাজারহাট এবং সল্টলেক এলাকায় আধুনিক ট্রাম পরিষেবা চালুর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে। ট্রামকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে, যেখানে পর্যটন দফতরের সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement