Advertisement

TMC Govt Scam: তৃণমূল জমানায় কোন দফতরে কত দুর্নীতি, খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন গড়ল নবান্ন

তৃণমূল সরকারের আমলে একের পর এক দফতরের দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে। কোন দফতরে কত দুর্নীতি হয়েছে এই ১৫ বছরে, এই নিয়ে এবার তদন্ত করতে কমিশন গঠন করল শুভেন্দু সরকার।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 15 Jul 2026,
  • अपडेटेड 8:14 AM IST
  • তৃণমূল সরকারের আমলে একের পর এক দফতরে দুর্নীতি
  • কোন দফতরে কত দুর্নীতি হয়েছে এই ১৫ বছরে
  • তদন্ত করতে কমিশন গঠন করল শুভেন্দু সরকার

রাজ্যে পালাবদলের পরে একের পর এক তৃণমূল নেতার দুর্নীতি সামনে এসেছে। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগের তালিকাও লম্বা। মিড ডে মিল, রেশন, বেনামি সম্পত্তি, গরু পাচার, ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনায় একের পর এক অভিযোগ রয়েছে। সেই সব দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে কমিশন গঠন করল রাজ্য সরকার। দেড় দশকের তৃণমূল জমানায় কত দুর্নীতি, কত কোটি লুট, তা সব এবার খতিয়ে দেখবে এই কমিশন। 

২০১১ থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দফতর ও প্রকল্পে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বাধীন কমিশন। এই ঘোষণা করে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষা, খাদ্য ও সরবরাহ, পুরসভা, পঞ্চায়েত, আবাসন, মৎস্য এবং ত্রাণ ও বিপর্যয় মোকাবিলার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের নিয়োগ ও উন্নয়নমূলক কাজে আর্থিক নয়ছয়ের তদন্ত করা হবে। এর মধ্যে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হবে আমফানের ত্রাণ বন্টন, ১০০ দিনের কাজ এবং মিড-ডে মিল প্রকল্পে সরকারি টাকা আত্মসাতের মতো অভিযোগের। এছাড়াও প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা এবং কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মী নিয়োগ, সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল শিক্ষায় নিয়োগ,  বিরোধী বা সাধারণ মানুষকে বেআইনি গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং পুরসভার নিয়ম না মেনে বেআইনি নির্মাণের মতো অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখা হবে। 

নবগঠিত এই  কমিশনের তদন্ত বিভাগের মাথায় থাকছেন দুঁদে IPS কে জয়রামন। প্রশাসনিক বিভাগে থাকবেন IAS বা WBCS অফিসার। প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তায় থাকবেন WBRS আধিকারিক। 

এই কমিশনকে সিভিল কোর্ট বা দেওয়ানি আদালতের সমান ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কমিশন যে কোনও ব্যক্তিকে তলব করতে পারে। রেকর্ড করতে পারে তাঁদের বয়ানও। যে কোনও সরকারি দফতর থেকে নথিপত্র তলবের ক্ষমতাও রয়েছে কমিশনের। প্রাথমিক তদন্তে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে FIR দায়েরের সুপারিশও করতে পারবে কমিশন। কমিশন কোনও প্রথাগত গোয়েন্দা এজেন্সির ধাঁচে কাজ করবে না। তবে যে মামলাগুলিতে ED-CBI তদন্ত করছে, তার মধ্যে নাক গলাবে না এই কমিশন।

Advertisement

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল,  দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা বিপুল অঙ্কের সরকারি অর্থ কী ভাবে পুনরুদ্ধার বা বাজেয়াপ্ত করা যায়, সে বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব দেবে এই নবগঠিত কমিশন।


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement