Advertisement

Ritabrata Banerjee: সুদীপ-কাকলিদের মতো NCPI-তে যোগ দেবে ঋতব্রতদের বিধায়ক দলও? জানা গেল উত্তর

সোমবার এই বিষয়ে ঋতব্রত বলেন, 'আমরা গতকাল দেখেছি তৃণমূলের সাংসদরা NCPI-তে যোগ দিয়ছেন। তাঁরা এখন NDA-র শরিক দল। তাঁরা হয়তো সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে আমাদের এই নিয়ে কোনও ধারণা নেই।'

তৃণমূলের বিরোধী শিবিরেই থাকবেন ঋতব্রতরা?তৃণমূলের বিরোধী শিবিরেই থাকবেন ঋতব্রতরা?
Aajtak Bangla
  • 15 Jun 2026,
  • अपडेटेड 9:15 PM IST
  • ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ৮০ আসন পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস
  • তার মধ্যে ৬৫ জন বিধায়ক যদি তাঁদের সঙ্গে থাকেন তাহলে সেই সমস্ত নাম কেন সামনে আনা হচ্ছে না?

রবিবার রাতেই শিবির বদলে NCPI-তে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের ২০ সাংসদ। সেই পথেই কি হাঁটবেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়করাও? জবাব দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, সাংসদরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার সঙ্গে বিধানসভার কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁরা যেভাবে আছেন, সেভাবেই থাকবেন।  

সোমবার এই বিষয়ে ঋতব্রত বলেন, 'আমরা গতকাল দেখেছি তৃণমূলের সাংসদরা NCPI-তে যোগ দিয়ছেন। তাঁরা এখন NDA-র শরিক দল। তাঁরা হয়তো সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে আমাদের এই নিয়ে কোনও ধারণা নেই। সবটাই মিডিয়া মারফত দেখেছি। আমরা বিধানসভার পরিষদীয় দল। আমাদের সব সিদ্ধান্ত একসঙ্গে নেওয়া। সাংসদরা কী করেছেন তা নিয়ে কোনও ধারণা নেই। তাই আমাদের NCPI-তে যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।' 

বিধানসভায় পরিষদীয় দল গঠনের সময় থেকে তাঁদের কাছে তৃণমূলের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক আছে বলে দাবি করেছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কখনও জানিয়েছিলেন ৫৮, কখনও ৬২। তবে এদিন তিনি দাবি করেন, তাঁদের সঙ্গে ৬৫ বিধায়কের সমর্থন আছে। বলেন, 'আমাদের কাছে এখন ৬৫ বিধায়ক আছেন। স্পিকারকে সেই চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সেই সংখ্যাটা আর কত বাড়তে পারে সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। কাল বা পরশু সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।' 

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ৮০ আসন পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে ৬৫ জন বিধায়ক যদি তাঁদের সঙ্গে থাকেন তাহলে সেই সমস্ত নাম কেন সামনে আনা হচ্ছে না? এই প্রশ্নের উত্তরে ঋতব্রত বলেন, 'সংখ্যা স্পিকারকে জানানো হয়েছে। সেটাই যথেষ্ট। পরিষদীয় রীতিনীতি রয়েছে। সেটা মেনেই সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নাম বাইরে আনার অর্থ পরিষদীয় আইন ভাঙা। আমরা তার পক্ষে নই।' 

এদিকে জানা যাচ্ছে, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হলে প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচয় আদায়ের তৎপরতা শুরু করতে পারে এনসিপিআই। আগামী ২১ জুলাই থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের আটজন যখন এসে লোকসভায় বসবেন, তখন স্পিকারের কাছে জানানোর সুযোগ থাকবে যে কাকলি-সুদীপের শিবির দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য নিয়ে আলাদা ব্লকে বসছেন। গোটা বিষয়টি তখন আদালতের কাছে চলে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাও দেখার। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement