Advertisement

ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি! CBI তদন্ত চেয়ে চিঠি

ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে এবার সিবিআইকে চিঠি পাঠালেন বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য প্রথম থেকে সোচ্চার বিজেপি। শুক্রবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি গলাতেও ভ্যাকসিন নিয়ে সিবিআই তদন্তের কথা শোনা গিয়েছিল। দিলীপ ঘোষ বলেন, এই কাটমানির সঙ্গে ওখানকার মেয়রও জড়িত রয়েছেন বলে আমার মনে হয়। এর জন্য সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন রয়েছে।

ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে সিবিআইকে চিঠি বিজেপির। ফাইল ছবি ( ভুয়ো টিকা কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জন ও বিজেপির পতাকাভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে সিবিআইকে চিঠি বিজেপির। ফাইল ছবি ( ভুয়ো টিকা কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জন ও বিজেপির পতাকা
সূর্যাগ্নি রায়
  • কলকাতা,
  • 26 Jun 2021,
  • अपडेटेड 3:44 PM IST
  • ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি
  • CBI তদন্ত চেয়ে চিঠি
  • তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের

ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে এবার সিবিআইকে চিঠি পাঠালেন বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য প্রথম থেকে সোচ্চার বিজেপি। শুক্রবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি গলাতেও ভ্যাকসিন নিয়ে সিবিআই তদন্তের কথা শোনা গিয়েছিল। দিলীপ ঘোষ বলেন, এই কাটমানির সঙ্গে ওখানকার মেয়রও জড়িত রয়েছেন বলে আমার মনে হয়। এর জন্য সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গিনিপিগ নন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকে চিঠি লিখে ঘটনার হস্তক্ষেপ চেয়েছে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। 

ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দেবাঞ্জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন গ্রেফতার করা হয় আরও ৩ জনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ৩ ব্যক্তির মধ্যে দু'জন ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সইয়ের অধিকারী ছিলেন। আর তৃতীয় জন দেবাঞ্জনের সহযোগী। তাদের নাম সুশান্ত দাস, রবিন শিকদার এবং শান্তনু মান্না। অন্যদিকে, দেবাঞ্জন ভুয়ো সরকারি অফিসারের পরিচয় দিয়ে একাধিক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। যা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। পুলিশ সূত্রে খবর, আইএস পরিচয় অসংখ্য সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিল সে। পাড়ার রক্তদান শিবির থেকে শুরু করে থানার সামাজিক অনুষ্ঠান বা স্থানীয় কাউন্সিলর এর অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগদান করেছিল দেবাঞ্জন। সে সমস্ত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিরাট সম্মানকে পেয়ে আরও উৎসাহ পেয়ে যায় দেবাঞ্জন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাইনি সে। 

এদিন দিলীপ ঘোষ নিশানা করেন বলেন,  পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যখন ধরা পড়েছে। সবাই চিনত। পুরো পার্টিটাই চতুর আর দুর্নীতিগ্রস্ত লোকেদের নিয়ে চলছে। ওই ঘটনায় কলকাতা পুরসভা জড়িত। পুরসভার অফিস থেকে দেওয়া হচ্ছে। তার গাড়িতে সরকারি লোগো, পুরসভার লোগো। দেবাঞ্জনের ফলক প্রসঙ্গে শুক্রবার কলতাতা পুরসভার তরফে অতীন ঘোষ বলেন, আমি ৩৫ বছর ধরে কলকাতায় পুরসভায় রয়েছি। পুরসভার অনুমতিতে ওই ফলক বসানো হয়নি। ফলকে যাদের নাম ছিল, তারা উপস্থিতও ছিলেন না। কলকাতায় এমন অনেক সংগঠন কিংবা ব্যক্তি নিজের উদ্যোগে এমন ফলক বসিয়ে দেন। সেটা সবসময় পুরসভার অনুমোদন সাপেক্ষ হয় না। ওখানে যে অনুষ্ঠান ছিল সেটাও পুরসভার অনুষ্ঠান ছিল না। সেখানে স্থানীয় কাউন্সিলরও উপস্থিত ছিলেন না। মূর্তি বসানো নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর আপত্তি জানিয়েছিলেন। একটা প্লেট লাগানো আছে, সবাই প্রথমে লক্ষ্য করে না।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement