Advertisement

High Court: অভিষেকের বাড়ির গেটে ধাক্কা দেওয়ায় গিয়েছিল চাকরি, পুলিশকর্মীকে কাজে ফেরাল হাইকোর্ট

২০২৩ সাল। গাড়ি সরাতে গিয়ে 'ভুল করে' সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গার্ডরেলে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছিলেন এক পুলিশ কর্মী। অভিযোগ, তার জেরেই নাকি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে ফের চাকরিতে বহাল করার বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার তাঁকে ফের চাকরিতে বহাল করার বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার তাঁকে ফের চাকরিতে বহাল করার বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Sep 2026,
  • अपडेटेड 10:38 PM IST
  • 'ভুল করে' সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গার্ডরেলে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছিলেন এক পুলিশ কর্মী।
  • তার জেরেই নাকি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
  • ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ওই পুলিশকর্মীর চাকরি ফেরাতে হবে।

২০২৩ সাল। গাড়ি সরাতে গিয়ে 'ভুল করে' সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গার্ডরেলে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছিলেন এক পুলিশ কর্মী। অভিযোগ, তার জেরেই নাকি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে ফের চাকরিতে বহাল করার বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ওই পুলিশকর্মী ভুল করেছিলেন ঠিকই। কিন্তু সেটা চাকরি যাওয়ার মতো নয়। অল্প শাস্তিও দেওয়া যেত। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থপ্রতিম রায়ের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ওই পুলিশকর্মীর চাকরি ফেরাতে হবে। এর জন্য ৪ সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।

ঠিক কী হয়েছিল?
২০২৩ সালের ৪ ডিসেম্বর। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে একটি মোবাইল টয়লেট ভ্যান সংক্রান্ত ডিউটিতে ধীরেন্দ্রনাথ মাহাতো নামে এক পুলিশকর্মীকে রাখা হয়। ঘটনার দিন কোনও কারণে সেই মোবাইল টয়লেট ভ্যান থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। তাই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন। কিন্তু সেখানে গাড়ির চালক ছিলেন না। শেষমেশ নিজেই গাড়ি সরাবেন বলে ঠিক করেন ধীরেন্দ্রনাথ। তখনই বাধে বিপত্তি। ভুল করে গাড়ির রিভার্স গিয়ারে চালিয়ে দেন। পিছন দিয়ে গিয়ে গাড়ি সজোরে অভিষেকের বাড়ির গার্ডরেলে ধাক্কা মারে। তার সঙ্গে যুক্ত বাড়ির প্রবেশ ফটকেও ধাক্কা লাগে। 

এরপরই ধীরেন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল অ্যাকশন নেওয়া হয়। পরেরদিনই তাঁকে সাসপেন্ড করে দেয় কলকাতা পুলিশ। পরে অবশ্য সাসপেনশন উঠে গেলে কাজে ফেরেন। কিন্তু হঠাৎ ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে ফের শো-কজ করা হয়। মাস শেষে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

এরপরই সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেন ধীরেন্দ্রনাথ মাহাতো। ২০০০ সালে তিনি কলকাতা পুলিশে চাকরিতে ঢুকেছিলেন। পুলিশের গাড়ির চালক হিসাবে কাজ করতেন। ২০০৫ সালে হৃদরোগ সংক্রান্ত কারণে তাঁকে কিছুটা কম গুরুত্বপূর্ণ পদে পাঠানো হয়। তাঁর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং শতাব্দী দাস।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement