
বকরি ইদে গরু কুরবানি কোনও আবশ্যিক ধর্মীয় প্রথা নয় এবং ইসলাম ধর্মে এটি বাধ্যতামূলক নয়। সুপ্রিম কোর্টের মহম্মদ হানিফ কুরেশি অ্যান্ড ওআরএস বনাম বিহার রাজ্য (১৯৯৫) মামলার রায় উল্লেখ করে পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট।
রাজ্য সরকারকে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, গবাদি পশু কুরবানির জন্য পর্যাপ্ত পরিকাঠামো রয়েছে কি না, তা মূল্যায়ন করতে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ তাদের আদেশে আশা প্রকাশ করেছে। রাজ্য দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করবে, যাতে ১৯৫০ সালের পশু জবাই আইন অনুযায়ী, শংসাপত্র প্রদান করা সম্ভব হয় এবং গবাদি পশুর কুরবানির ব্যবস্থা করা যায়।
২৮ মে বকরি ইদ উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জারি করা নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের হোয়া একগুচ্ছ মামলার শুনানি হয় এদিন আদালতে। গত ১৩ মে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল যে, ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর এবং মোষকে উপযুক্ত নয় বলে ঘোষণা করা শংসাপত্র ড়া জবাই করা যাবে না।
এতে আরও বলা হয়, শুধুমাত্র অযোগ্য হিসেবে শংসাপ্রাপ্ত পশুই জবাই করা যাবে এবং তাও কেবলমাত্র কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত কসাইখানা বা জবাইখানায়। বেআইনি পশু জবাই রোধে কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন স্থানে পরিদর্শনের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তির উপর স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট বলেছে, আইনের এবং বিধির অধীনে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করার অধিকার রাজ্যের রয়েছে।