Advertisement

Ritabrata Banerjee case: ঋতব্রত বিরোধী দলনেতা থাকতে পারবেন? আজই রায় দেবে হাইকোর্ট

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কি আদৌ বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ চালাতে পারবেন? নাকি তাঁকে পদ ছাড়তে হবে? সেই মামলাতেই আজ রায় দেবে হাইকোর্ট।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মামলা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মামলা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Jun 2026,
  • अपडेटेड 9:59 AM IST
  • ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কি আদৌ বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ চালাতে পারবেন?
  • নাকি তাঁকে পদ ছাড়তে হবে?
  • সেই মামলাতেই আজ রায় দেবে হাইকোর্ট

তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর সেই তিনিই হয়ে গেলেন রাজ্যের বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের দলনেতা। তাঁকেই বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিলেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু। কিন্তু দল থেকে একজন বহিষ্কৃত বিধায়ককে কীভাবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিলেন স্পিকার? বুধবার সেই প্রশ্নই তুলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আর আজ সেই মামলায় রায় দেবে আদালত। তারপরই ঠিক হয়ে যাবে ঋতব্রত আদৌ বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন কি না। 

আসলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। যদিও সেই নির্দেশকে অমান্য করে তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লক। তখন প্রাথমিকভাবে  ৫৮ জন বিধায়ক (পরে ৬৫ বলে দাবি) ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেন। সেই চিঠি গ্রহণ করেন স্পিকার। তাঁকে বিরোধী দলনেতা করেও দেওয়া হয়। 

আর এই প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্টর বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। তাঁর জিজ্ঞাসা, কেন তৃণমূলের তরফে আসা চিঠিকে গুরুত্ব দেওয়া হল না? কেন দ্বিতীয় চিঠিটি গ্রহণ করে নেওয়া হল?

যদিও সেই মামলায় রায়দান স্থগিত রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আজ, বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে। 

কী জানতে চায় কোর্ট? 
ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রথম থেকেই স্পিকারের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মতো মামলাও দায়ের করেন শোভেনদেব। আর সেই মামলাতেই স্পিকারের দিকে প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি রাও। তাঁর জিজ্ঞাসা, কেন তৃণমূলের দেওয়া প্রথম চিঠির গুরুত্ব দেওয়া হল না? কেন দ্বিতীয় চিঠির ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হল? প্রথম আবেদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল না কেন? 

আদালতের মনে করছে, সই জালিয়াতির অভিযোগ পেয়েছিলেন স্পিকার। এমন পরিস্থিতিতে দু’পক্ষকেই ডেকে শুনানি করা উচিত ছিল স্পিকারের। কিন্তু তিনি সেটা করেননি।

বিচারপতি রাওয়ের আরও প্রশ্ন, দলের কথা না শুনে শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে স্পিকার কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? তাঁর মন্তব্য, ‘বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল কি না, সেই প্রশ্নে যাচ্ছি না। কিন্তু যিনি প্রথম আবেদন করেছিলেন, তাঁকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা যায় কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি মানা জরুরি। আগে তো ৭৮ জনের সমর্থনের দাবি ছিল। সেই দাবির সত্যতা যাচাই কোথায়? যদি স্পিকার ১ জুন বহিষ্কারের চিঠি পেয়ে থাকেন, তা হলে সেই বহিষ্কৃত ব্যক্তিকেই কী ভাবে তিনি বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিলেন?’

Advertisement

আর সেই মামলাতেই আজ রায় দেবে আদালত বলে মনে করা হচ্ছে। সেই রায়ের উপরই নির্ভর করবে ঋতব্রত আদৌ বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ করতে পারবেন কি না। 


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement