Advertisement

SRFTI Chaos: এবার SRFTI-এ দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, গেট আটকে বিক্ষোভ ছাত্র-ছাত্রীদের

রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং কয়েকজন অধ্যাপকও আক্রান্ত হন। প্রসঙ্গত, আজ ইনস্টিটিউটের প্রধান হলে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার পঞ্চায়েত আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান চলছিল। কিছু রাজনৈতিক উস্কানির কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যার ফলে ছাত্রদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

SRFTI-এ তুমুল উত্তেজনাSRFTI-এ তুমুল উত্তেজনা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Sep 2026,
  • अपडेटेड 5:35 PM IST

যাদবপুরের পর এবার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট ( SRFTI)।  দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে । অভিযোগ উঠেছে , রবিবার ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানে কিছু ব্যক্তি আক্রমণাত্মক ও উস্কানিমূলক বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। ছাত্ররা প্রতিবাদ করলে ক্যাম্পাসে হামলার খবর পাওয়া যায়। 

রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং কয়েকজন অধ্যাপকও আক্রান্ত হন। প্রসঙ্গত, আজ ইনস্টিটিউটের প্রধান হলে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার পঞ্চায়েত আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান চলছিল। কিছু রাজনৈতিক উস্কানির কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যার ফলে ছাত্রদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে গেট আটকে দিয়েছেন পড়ুয়ারা। উত্তেজনা রয়েছে ক্যাম্পাসে। যে সংস্থার অনুষ্ঠান চলছিল, তাদের বাস আটকে ইনস্টিটিউটের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন পড়ুয়ারা।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, এসআরএফটিআইয়ের (SRFTI) প্রেক্ষাগৃহে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি সভা চলছিল। সেই কর্মসূচির প্রতিবাদে প্রেক্ষাগৃহের সামনে বিক্ষোভ দেখান কয়েকজন পড়ুয়া। অভিযোগ, এরপরেই সংগঠনের কয়েকজন সদস্য পড়ুয়াদের উপর চড়াও হন। পড়ুয়াদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষকও আক্রান্ত হন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্যাম্পাসে পুলিশ যায়। তবে অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের গেটের বাইরে এখনও বহিরাগতদের ভিড় রয়েছে। তাঁদের সরানোর জন্য পুলিশ যথেষ্ট পদক্ষেপ করছে না বলেও অভিযোগ করেছেন পড়ুয়াদের একাংশ।

পড়ুয়াদের আরও অভিযোগ, হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে পুলিশ অভিযোগকারীদের নাম ও ঠিকানা লিখে রাখছে। পরে সেই তথ্য ব্যবহার করে তাঁদের হেনস্থা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবিতে পুলিশের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখান পড়ুয়াদের একাংশ।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement