Advertisement

Chorebagan Sarbojanin Stampede: 'ভাইপোকে জেলে কবে ঢোকাচ্ছেন শুভেন্দুবাবু?' চোরবাগানের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি অভিষেকের

চোরবাগান সর্বজনীনে বিভীষিকাময় দুর্ঘটনায় দায়ী কে? তা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। উঠছে উদ্যোক্তাদের গ্রেফতারির দাবি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় উঠে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো।

চোরবাগান সর্বজনীনের ঘটনায় কী বললেন অভিষেক? চোরবাগান সর্বজনীনের ঘটনায় কী বললেন অভিষেক?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 18 Oct 2026,
  • अपडेटेड 9:22 AM IST
  • চোরবাগান সর্বজনীনে বিভীষিকাময় দুর্ঘটনা
  • অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় শুভেন্দুর
  • মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন তিনি

দুর্গাপুজোয় মৃত্যুমিছিল। চোরবাগান সর্বজনীনে বিভীষিকাময় দুর্ঘটনায় দায়ী কে? তা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। উঠছে উদ্যোক্তাদের গ্রেফতারির দাবি। আর সব কিছুর মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় উঠে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। 

চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে মমতা-তৃণমূলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়, ‘চোরবাগান পুজো প্যান্ডেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কে জড়িত বলুন তো! শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। পশ্চিমবঙ্গে BJP-র এক বিধায়ক চোরবাগান পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। পুজো কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক দেবদীপ অধিকারী। এত মানুষের মৃত্যুর দায় কার। নির্লজ্জ মুখ্যমন্ত্রী কবে পদত্যাগ করবেন?'

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পোস্টে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর ছবি দিয়ে লিখেছেন, 'চোরবাগান সর্বজনীন পুজো কমিটিতে শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপোর যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। অপরাধী ভাইপোকে জেলে কবে ঢোকাচ্ছেন শুভেন্দুবাবু?' বরাবরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতার 'ভাইপো' সম্বোধন করে নানারকম কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার পাল্টা তীব্র আক্রমণ করেছেন অভিষেক। 

তিনি লেখেন, '১৮ জনের মৃত্যুর দাগ কিন্তু ডবল ইঞ্জিন ওয়াশিং মেশিনেও উঠবে না। আর ভাইপোর সঙ্গে বিজয় ওঝা আর তমোঘ্ন ঘোষকেও ভুলবেন না। রাজধর্ম পালন করুন।'

এ প্রসঙ্গে BJP-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'এ ধরনের কিছু জানা নেই আমার। শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো, সে নাবালক বলেই আমি জানতাম। সাবালক হয়েছে কি না জানি না। আর সে তো থাকে কাঁথিতে! সে এখানে কোথা থেকে এল আমার জানা নেই। আর এটা নিয়ে বিশ্বাস করুন... আমি মানসিক ভাবে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত। আমি কোনও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দিতে পারছি না।'

পরিস্থিতি নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বৃষ্টির মধ্যে একদল প্যান্ডেল থেকে বেরনোর আগেই ভিতরে ঢুকতে যান অনেকে। সেই আবহে ঠেলাঠেলি, হুড়োহুড়ি শুরু হয়। একে অপরের গায়ে পড়তে থাকেন মানুষজন। অনেকে চাপা পড়েন। শ্বাস নিতে পারছিলেন না। ওই সব মানুষকে উদ্ধার করতে পুলিশ, দমকল বা অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুই পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement