Advertisement

Suvendu Adhikari: 'পাপমুক্ত হবে মিড ডে মিল,' তৃণমূলের দুর্নীতি টেনে ISKCON-এর প্রশংসায় শুভেন্দু

এবার থেকে কলকাতার সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল খাওয়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনকে। রথের রশিতে টান দিতে গিয়ে এদিন শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গেল সেই প্রসঙ্গ।

ইসকনের রথযাত্রা উৎসবে শুভেন্দু অধিকারীইসকনের রথযাত্রা উৎসবে শুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 16 Jul 2026,
  • अपडेटेड 1:40 PM IST
  • রথযাত্রা উৎসবের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী
  • রথের রশিতে টান দিলেন
  • শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গেল মিড ডে মিল প্রসঙ্গ

গোটা বিশ্বে শ্রীলা প্রভুপাদ রথযাত্রা উৎসব এবং জগন্নাথদেবের মহিমা ছড়িয়েছেন। আজ সে কারণেই শতাধিক দেশে রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়। তাই তাঁর বসবাসের ঘর হেরিটেজ তকমার যোগ্য। বৃহস্পতিবার ইসকনের রথযাত্রার সূচনা করে এমনটাই বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে উৎসবের উদ্বোধনেও পূর্বের তৃণমূল সরকারকে বিঁধতে ছাড়েননি তিনি। মিড ডে মিল এবার পাপমুক্ত হয়েছে বলেও এদিন মন্তব্য করেন তিনি। 

হেরিটেজ তকমার উদ্যোগ
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, 'আমার সৌভাগ্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি ইসকনে আসতে পেরেছি, এই রথযাত্রা উৎসবের সূচনা আমার হাত দিয়েই হল। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে হেরিটেজ কমিশন তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রভুপাদের ঘরে নমন করেছি, আমার মনে হয় তাঁর ঘরও হেরিটেজ তকমা পাওয়া উচিত।'

পাপমুক্ত হবে মিড ডে মিল!
১ অগাস্ট থেকে কলকাতার সমস্ত সরকারি স্কুলে মিড ডে মিল দেবে ইসকন। সে প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কিচেন তৈরি হচ্ছে। ইসকন ২২ বড় শহরে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার দেয়, কলকাতাতেও এবার মিলবে। মধ্যনিম্ন, নিম্নবিত্ত এবং EWS পরিবারের পড়ুয়ারা মিড ডে মিল নেয়। তাই অপুষ্টি দূর করতে ইসকনের ভাল ও পরিচ্ছন্ন খাবার চালু করা হচ্ছে। সর্বোপরি পূর্বের সরকার মিড ডে মিল নিয়েও দুর্নীতি করেছিল। ইসকনের খাবার চালু হলে মিড ডে মিল পাপমুক্ত হবে।'

রথযাত্রায় ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান নিয়ে কী বললেন?
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'টাকা বড় কথা নয়। অনেক পুরনো রথযাত্রা রয়েছে, সেখানে রথের সংস্কারের জন্য তাদের হাতে পয়সাটুকু নেই। সরকার তাই বিকাশও করছে, বিরাসতও করছে। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আমরা কাজ করছি। ভালোবাসা, মহব্বত, সাহায্য সবটাই সরকার দেবে।'

উল্লেখ্য, এদিন ইসকনের অ্যালবার্ট রোডের মন্দিরে রথযাত্রা উৎসবে সামিল হয়ে শুভেন্দু প্রথমে আরতি করেন। তারপর পদ্মফুলের পাপড়ি দিয়ে রথের পথ সাজান নিজে হাতে। ঝাঁটা নিয়ে পালন করেন 'ছেড়া পহড়া' রীতি। সবশেষে রথের রশিতে টান দিয়ে উৎসবের সূচনা করেন। একলাইন গান গাইতেও দেখা যায় তাঁকে। 
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement