Advertisement

Suvendu Adhikari: অভাব-অভিযোগ সরাসরি জানানো যাবে মুখ্যমন্ত্রীকে, রাজ্যে বসছে শুভেন্দুর 'জনতার দরবার'

এবার থেকে রাজ্যের মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা সরাসরি শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে বসতে চলেছে জনতার দরবার। কবে থেকে, কোথায় এই কর্মসূচি শুরু হবে?

Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 16 May 2026,
  • अपडेटेड 11:32 AM IST
  • মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা সরাসরি শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী
  • রাজ্যে বসতে চলেছে জনতার দরবার
  • কবে থেকে, কোথায় এই কর্মসূচি শুরু হবে?

রাজ্যে এবার চালু হতে চলেছে জনতার দরবার। সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই প্রকল্প চালু করতে চলেছেন বলে খবর। কোথায়, কবে বসবে এই দরবার? 

জানা গিয়েছে, আগামী ১ জুন থেকে রাজ্যে জনতার দরবার কর্মসূচি চালু করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোথায়, কবে এই দরবার বসবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই একটি রূপরেখা তৈরি হচ্ছে ক্যাবিনেটে। 

কেমন হবে এই জনতার দরবার?
এই দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে থাকবেন রাজ্য প্রশাসনের ২ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিক। এই দরবারে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি শোনা এবং দ্রুত তার নিষ্পত্তি করা হবে। 

BJP শাসিত একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই জনতার দরবার কর্মসূচি বাস্তবায়িত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়, দিল্লি। 

এর আগে পশ্চিমবঙ্গে এমন মডেলের কোনও নজির নেই। বাম আমলে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা কোনও দফতরের মন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে বা অভাব অভিযোগ জানাতে সংশ্লিষ্ট অফিসে যেতে হত মানুষকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার জন্য কোনও কর্মসূচি চালু হয়নি। তবে ২০১৬ সালে 'দিদি কে বলো' বলে একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি নিজেদের অভাব-অভিযোগ ও সমস্যার কথা খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে জানাতে পারতেন। তবে অভিযোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমস্যার কোনও সুরাহা হত না। তবে এবার জনতার দরবারে কোনও কার্যালয় বা আধিকারিকের মাধ্যমে নয়, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ। কীভাবে শুভেন্দু সরকার এই মডেল বাস্তবায়িত করে, সেটাই এখন দেখার। 


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement