Advertisement

KMC Election Delimitation: কলকাতায় বাড়বে ওয়ার্ড, পুরসভাতেও ডিলিমিটেশন চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা পুরসভা এলাকাতেও কি এবার ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস হবে? সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার কলকাতা পুরসভায় গিয়েই বড় ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'আমাদের সকলেরই মনে হয়েছে ডিলিমিটেশন হওয়া উচিত।'

কলকাতা পুরসভাতেও পুনর্বিন্যাস কলকাতা পুরসভাতেও পুনর্বিন্যাস
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 15 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:18 PM IST
  • মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার কলকাতা পুরসভায় গিয়েই বড় ইঙ্গিত
  • কলকাতা পুরসভাতে ডিলিমিটেশন চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী
  • এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ, কাজরী, অসীম বসুরা

কলকাতা পুরসভা এলাকাতেও কি এবার ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস হবে? সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার কলকাতা পুরসভায় গিয়েই বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। 

তবে কি কলকাতায় বাড়ছে ওয়ার্ড? মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'যেহেতু আমি ভবানীপুরে লড়েছি, সেখানে দেখেছে এক একটা ওয়ার্ডে, এক এক রকম ভোটার সংখ্যা। ভবানীপুরের ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে দেখেছি ৪৯টি বুথ, আবার বহু ওয়ার্ডে কোথাও ২০টি, কোথাও ১৫-১৬টি বুথ। ৮২ নম্বর ওয়ার্ডটি বিরাট।' তাপস রায়, অগ্নিমিত্রা পল, স্বপন দাশগুপ্তদের সঙ্গে আলোচনা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'ওঁর বহুদিন ধরে কলকাতার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আমি নিজেও ১৯৯৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলর ছিলাম। আমাদের সকলেরই মনে হয়েছে ডিলিমিটেশন হওয়া উচিত। রাজ্য সরকারের সুপারিশে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এটা করে। ফলে যাদের কাজ তারাই করবে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও ভবানীপুরের বিধায়ক, কলকাতার প্রতিনিধি আমি। তাই মনে হয়েছে ডিলিমিটেশন হওয়া উচিত।'

সোমবার ছিল পুরসভায় স্বচ্ছতা স্বাগত অভিযানের অনুষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এদিন প্রথম পুরসভায় আসেন শুভেন্দু। এদিন পুরসভার অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বহু সংখ্যক কাউন্সিলরকে। তালিকায় ছিলেন ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতৃবধুও বটে। ছিলেন কাউন্সিলার অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুঁই বিশ্বাস, অসীম বসু, শশী পাঁজার মেয়ে, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে। অনুষ্ঠানে ছিলেন মেয়র পারিষদ তথা  প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমার এবং সর্বোপরি প্রাক্তন মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়, এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং কসবার বিধায়ক জাভেদ খানও এদিন পুরসভায় উপস্থিত ছিলেন। 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কলকাতা পুরসভায় এখন অচলাবস্থা। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন আইন মেনে কলকাতা পুরসভার নতুন পুর বোর্ডের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে।’ অর্থাৎ আগামী ছয় মাসের মধ্যেই কলকাতায় সম্পন্ন হবে পুরসভার নির্বাচন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement