Advertisement

‘বরফের চেয়েও দ্রুত গলছে তৃণমূল’, BJP-র প্রধান প্রতিপক্ষ হতে তৈরি CPIM, জানালেন সেলিম

বাংলায় হারানো রাজনৈতিক জমি ফের দখল করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সিপিএম। দলের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে বামপন্থীদের সামনে।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 May 2026,
  • अपडेटेड 5:58 PM IST
  • বাংলায় হারানো রাজনৈতিক জমি ফের দখল করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সিপিএম।
  • দলের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে বামপন্থীদের সামনে।

বাংলায় হারানো রাজনৈতিক জমি ফের দখল করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সিপিএম। দলের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে বামপন্থীদের সামনে।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম তীব্র কটাক্ষ করে বলেছেন, “এই ভয়াবহ গরমে তৃণমূল বরফের চেয়েও দ্রুত গলে যাচ্ছে।” তাঁর কথায়, এখন বামেদের মূল লক্ষ্য শুধু তাত্ত্বিক বিরোধিতা নয়, বাস্তব রাজনৈতিক ময়দানেও বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা।

এক সাক্ষাৎকারে সেলিম বলেন, বাংলায় আরএসএস ও বিজেপির বিরুদ্ধে আদর্শগত লড়াইয়ে বরাবরই অগ্রভাগে থেকেছে বামপন্থীরা, বিশেষ করে সিপিএম। তাঁর দাবি, রাজ্যের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার আন্দোলনে আবারও বামেদের সক্রিয় ভূমিকা দেখা যাবে।

সেলিমের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ ও দুষ্কৃতীদের ব্যবহার করে তৃণমূল এমন এক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছে, যার সুযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আরএসএসের প্রভাব বাড়তে পেরেছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূল ও বিজেপি মিলেই ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি করে বাংলায় এক ধরনের কৃত্রিম ‘বাইনারি’ তৈরি করেছে, যাতে অন্য বিরোধী শক্তিগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল এবং জনসমর্থনের অবক্ষয়ের প্রসঙ্গ তুলে সেলিম বলেন, মানুষের একাংশ এখন বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি খুঁজছে এবং সেই জায়গা পূরণ করতে পারে বামফ্রন্টই।

তিনি আরও জানান, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবিকায় আঘাতের অভিযোগ নিয়ে বামপন্থী দল ও শ্রমিক সংগঠনগুলি ইতিমধ্যেই আন্দোলনে নেমেছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং বাংলার সংস্কৃতি রক্ষার প্রশ্নেও বামেদের লড়াই জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখযোগ্যভাবে, দীর্ঘ রাজনৈতিক খরার পর সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদের ডোমকল কেন্দ্রে জয় পেয়েছে সিপিএম-নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট। যদিও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সিপিএমের ভোটের হার ৪.৪৫ শতাংশের কাছাকাছি সীমাবদ্ধ ছিল, তবুও দলটির দাবি, বাংলার রাজনীতিতে তাদের প্রাসঙ্গিকতা এখনও শেষ হয়ে যায়নি।

Advertisement

২০১১ সালে বামফ্রন্টের পতনের সময় সিপিএমের ভোটের হার ছিল প্রায় ৩০ শতাংশ। ২০২১ সালে তা নেমে আসে ৪.৭৩ শতাংশে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ফের সংগঠনকে শক্তিশালী করে মাঠে নামার বার্তাই দিয়েছেন মহম্মদ সেলিম।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement