Advertisement

টাকিতে বিসর্জন নিয়ে চিন্তায় শুভেন্দু, সনাতন ধর্মের মানুষরাই প্রতিমায় হাত দিতে পারবেন, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিসর্জনের ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে দশমীর সকালে বাবুঘাটে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং পুর-কমিশনার। মুখ্যমন্ত্রী প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাও করেন।

বিসর্জনের ঘাট পরিদর্শনে শুভেন্দুবিসর্জনের ঘাট পরিদর্শনে শুভেন্দু
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Oct 2026,
  • अपडेटेड 11:35 AM IST


দুর্গাপুজোর চার দিনের উৎসব শেষ। এবার পালা প্রতিমা নিরঞ্জনের। আজ বুধবার দশমীর দিন থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে বিসর্জন পর্ব। আর দুর্গাপুজোর ভিড় সামলানোর পর এবার বিসর্জন পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে তৎপর প্রশাসন। সেই লক্ষ্যেই কলকাতা-সহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। বিসর্জন প্রক্রিয়া তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৮ জন আইপিএস অফিসারকে। তার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই দায়িত্বে আছেন ১২ জন। আর বিসর্জনের ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে দশমীর সকালে বাবুঘাটে হাজির হলেন  মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

 বাবুঘাটে শুভেন্দু অধিকারী
বুধবার সকালে বাবুঘাটের নিরাপত্তা পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং পুর-কমিশনার। মুখ্যমন্ত্রী প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাও করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার কাজে যুক্ত রয়েছে NDRF। বিসর্জন শেষের পরে সাফাইয়ের কাজও হবে।’

কী বললেন শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, রীতি মেনে এবার এবার ক্রেন নয়, কাঁধে প্রতিমা নিয়ে বিসর্জন দেওয়া হবে। সনাতন ধর্ম মানেন তাঁরাই হাত দিতে পারবেন প্রতিমায়। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা থাকছে। সেইজন্য NDRF মোতায়েন থাকছে। ২৪ তারিখের পর থেকে সাফাইয়ের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।

টাকি নিয়ে চিন্তিত শুভেন্দু
এদিন হাওড়ার একটি ঘাটেরও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন টাকিতে ইছমতী নদীতে ভাসান নিয়ে তিনি কিছুটা চিন্তিত আছেন। কারণ ২০০টি নৌকায় করে মানুষ সেখানে বিসর্জনে যায়। সেই কারণে লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা থাকছে। একজন ক্যাবিনেট মিনস্টারের পাশাপাশি ডিআইজি বারাসত রেঞ্জ থাকছেন নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে। 

চোরাবাগান বিপর্যয়ে পরিবারগুলির পাশে 
চোরবাগান বিপর্যয়ে দিশেহারা পরিবারগুলির পাশে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবমীর দিন একাধিক পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এদিনও নিউ ব্যারাকপুর থেকে নিউটাউন পর্যন্ত ৬-৭টি পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। বাড়িতে গিয়ে তাঁদের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবেন। ২৪ তারিখের মধ্যে সবকটি পরিবারের সঙ্গেই তিনি ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ করবেন। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement