
চিংড়িঘাটা উড়ালপুলে রঙের জন্য বাইক দুর্ঘটনা হয়েছে, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। জানালেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। তাঁর দাবি, এখনই কোনওভাবেই বলা ঠিক হবে না যে, রঙের কারণে এমনটা হয়েছে।
গতকাল একটি ভিডিও সামনে আসে। তাতে দেখা যায়, তিনটি বাইক এক এক করে স্কিড করল। পরে জানা যায়,সেই ভিডিওটি চিংড়িঘাটা উড়ালপুলের। ওই উড়ালপুলের রাস্তায় কয়েকদিন আগেই রং করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার ভিডিও সামনে আসার পর অনেকে দাবি করেন, সেই রং করার কারণেই দুর্ঘটনা। রাস্তায় যে খসখসে ব্যাপারটা থাকে, রং করার জেরে তা নষ্ট হয়েছে। আর তাতেই চাকা স্কিড করছে।
তবে এদিন কলকাতার পুলিশ কমিশনার জানান, প্রাথমিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি পড়ছিল। সেখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, চলন্ত বাইক থেকে রিলস বা ভিডিও বানানোর চেষ্টা হচ্ছিল। ফলে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারাতেই পারে। যাতে আর কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য ওই ব্রিজে 'গো স্লো' লাগানো হয়েছে।
কলকাতার পুলিশ কমিশনারের আরও দাবি, ওই উড়ালপুলে অত্যন্ত খাড়া বা তীক্ষ্ণ বাঁক আছে। ওখানে স্পিডে চালালে দুর্ঘটনা হতে পারে। বৃষ্টির জন্য ওই টুকু জায়গা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যাতে দুর্ঘটনা না হয় সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, 'ইঞ্জিনিয়াররা বলে দিয়েছেন রাস্তায় অ্যান্টি স্কিড রং লাগানো হয়েছে। ওই রঙের কারণে দুর্ঘটনা হবে না। উড়ালপুলে বাঁকের কারণে হতে পারে। আর বৃষ্টি হলে তো স্কিড হয়। চালানোর অসাবধানতার কারণেও হতে পারে। সব দিক খেয়াল রেখেই চলতে হবে।'
গতকালই রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, 'একজন মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গেলেন। তার ধাক্কা লেগে আরেকজন পড়ে গেলেন। কেন পড়ে গেলেন, তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। যে রঙ ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা কিন্তু সম্পূর্ণ অ্যান্টি-স্কিড কালার। এটা তেল রঙ ব্যবহার হয়নি। তারপরও কেন স্কিড করল, তা আমি বলতে পারব না। ইঞ্জিনিয়ার বলতে পারবেন।'