
Dilip Ghosh: সোমবারই দুর্গাপুজোর জন্য ক্লাবগুলিকে ৬০ হাজার টাকা অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সকালে সেই ইস্যুতে নিশানা করলেন দিলীপ। বিজেপি সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, "বর্তমান যে বাঁচাও সাধুবাবা হচ্ছে, সেখান থেকে বেঁচে আসার জন্য এসব চলছে। দেখবেন পুজোর পরে আমরা সব ভুলে গেছি। ৫০০ কোটি টাকা, ৩০০ কোটি টাকার গল্প বাঙালি সব ভুলে যাবে। পুজোর আনন্দ করবে। বিদ্যুতের বিল কম করে দেওয়া হয়েছে, ভাববেন না যে এটা কম হবে। যাঁরা পুজো দেখতে যাচ্ছেন, সমস্ত মানুষের মাথা থেকে সেটা নেওয়া হবে। মেলা-খেলা করে বাঙালিকে ভুলিয়ে রাখতে হবে। আমরা কেষ্ট-পার্থ সবাইকে ভুলে যাব। পুজোয় ৬০ হাজার টাকা পেয়ে সবাই খুশি।"
প্রসঙ্গত, সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিগত কয়েক বছর ধরে কলকাতা-সহ জেলার দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। এ বছরে তা বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার রাজ্যে প্রায় ৪৩ হাজার নথিভুক্ত দুর্গাপুজো কমিটির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে পয়লা সেপ্টেম্বর থেকেই বাংলায় দুর্গোৎসবের সূচনার কথা ঘোষণা করেন তিনি।
বিগত কয়েকদিন ধরেই একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। সূত্রের খবর, দিলীপের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ স্বয়ং দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে দিলীপকে নিয়ে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। তবে নিজের করা মন্তব্য নিয়ে হেলদোল নেই মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদের। মঙ্গলবার সকালেই নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপবাবু জানান, "আমি রিপিট করি না। যা বলি স্পষ্ট ভাবে বলি। আমার কিছু করার নেই। আমার অনেক বেশি কষ্ট আছে।"