Advertisement

Dilip Ghosh: 'গরুকে যারা শ্রদ্ধা করে না, তাদের জন্য আইন আছে,' কড়া মন্তব্য দিলীপের

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, 'ভারতে থাকা সকল ব্যক্তির কাছেই যেমন গঙ্গা নদীর বিশেষ মর্যাদা রয়েছে, তেমনই গোমাতারও বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।' দিলীপ বলেন, 'গরুকে শ্রদ্ধা করেন ভারতীয়রা। বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় গরুকে। যেমন আমরা মা-বাবাকে সম্মান করি, তেমনই গোমাতাকেও সম্মান করি। আর যারা তেমনটা করবেন না, তাদের জন্য তো আইন রয়েইছে।'

  • কলকাতা ,
  • 23 May 2026,
  • अपडेटेड 11:19 AM IST
  • গরুকে শ্রদ্ধা করেন ভারতীয়রা, বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় গরুকে
  • যারা তা করেন না, তাঁদের জন্য আইন আছে
  • এমনই কড়া মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

এ দেশে গরুকে শ্রদ্ধা করা হয়, সেই শ্রদ্ধা সকলেরই বজায় রাখা উচিত। এমনটাই মনে করছেন দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, 'ভারতে থাকা সকল ব্যক্তির কাছেই যেমন গঙ্গা নদীর বিশেষ মর্যাদা রয়েছে, তেমনই গোমাতারও বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।'

ইদে প্রকাশ্য রাস্তায় গরু কুরবানি দেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, গরু জবাই করার সঙ্গে ইদের কোনও সম্পর্ক নেই। এমনকী, মৌলানা এবং মসজিদ কমিটিগুলিও জানিয়েছে, গরু জবাই বাধ্যতামূলক নয়, কুরবানির জন্য ছাগল, ভেড়াও কাটা যেতে পারে। আইনবিরুদ্ধ কোনও কাজ হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে মসজিদগুলি। আর এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'গরুকে শ্রদ্ধা করেন ভারতীয়রা। বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় গরুকে। যেমন আমরা মা-বাবাকে সম্মান করি, তেমনই গোমাতাকেও সম্মান করি। আর যারা তেমনটা করবেন না, তাদের জন্য তো আইন রয়েইছে।' 

বকরি ইদে গরু কুরবানি কোনও আবশ্যিক ধর্মীয় প্রথা নয় এবং ইসলাম ধর্মে এটি বাধ্যতামূলক নয়। সুপ্রিম কোর্টের মহম্মদ হানিফ কুরেশি অ্যান্ড ওআরএস বনাম বিহার রাজ্য (১৯৯৫) মামলার রায় উল্লেখ করেছে পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য সরকারকে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, গবাদি পশু কুরবানির জন্য পর্যাপ্ত পরিকাঠামো রয়েছে কি না, তা মূল্যায়ন করতে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ তাদের আদেশে আশা প্রকাশ করেছে। রাজ্য দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করবে, যাতে ১৯৫০ সালের পশু জবাই আইন অনুযায়ী, শংসাপত্র প্রদান করা সম্ভব হয় এবং গবাদি পশুর কুরবানির ব্যবস্থা করা যায়। 

২৮ মে বকরি ইদ উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জারি করা নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের হোয়া একগুচ্ছ মামলার শুনানি হয় এদিন আদালতে। গত ১৩ মে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল যে, ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর এবং মোষকে উপযুক্ত নয় বলে ঘোষণা করা শংসাপত্র ড়া জবাই করা যাবে না।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement