
লেক টাউনে ৭০ ফুট উঁচু মেসির মতো দেখতে মূর্তিটি শুক্রবার পরিদর্শন করলেন আইআইটি খড়গপুরের এক অধ্যাপক। মূর্তিটিকে কীভাবে নিরাপদে নামিয়ে আনা যায়, সেই বিষয়ে একটি প্রযুক্তিগত পরিকল্পনা তৈরির উদ্দেশ্যেই এই পরিদর্শন করা হয়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ররা।
এর আগে সোমবার পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা মূর্তিটি পরীক্ষা করে সেটিকে ‘অনিরাপদ’ বলে চিহ্নিত করেন। পরবর্তীতে জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বুধবারের মধ্যেই মূর্তিটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে সুরক্ষিত করার ব্যবস্থা করা হয়।
প্রবল ঝোড়ো হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে দেখা যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি বিবেচনা করে মূর্তির চারপাশে ব্যারিকেড বসিয়ে এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়, যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে।
বিধাননগরের বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, প্রবল বাতাসে মূর্তিটি দুলতে থাকায় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। তিনি প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। মূর্তিটি ভেঙে পড়লে মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। তবে এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবলারের মূর্তি। তাই সেটির কোনও ক্ষতি না করেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আইআইটি খড়গপুরের অধ্যাপক আগামী এক-দু’দিনের মধ্যেই একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা জমা দেবেন। সেই পরিকল্পনার ভিত্তিতে একটি বিশেষজ্ঞ সংস্থা মূর্তিটিকে নিরাপদে নামানোর কাজ করবে, যাতে কাঠামোর কোনও ক্ষতি না হয় এবং জনসাধারণের নিরাপত্তাও নিশ্চিত থাকে।