Advertisement

ভোটের রেজাল্টের দিন কলকাতায় ব্যাপক দুর্যোগের পূর্বাভাস, কালবৈশাখী ও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা 

শনিবার কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। রবিবার থেকে বৃষ্টির মাত্রা আরও বাড়বে, হাওয়ার গতি পৌঁছতে পারে ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টায়। মঙ্গলবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে সোমবারই পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে। ওই দিন শহরে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি এবং ৫০-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজের ছবি।কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজের ছবি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 May 2026,
  • अपडेटेड 3:14 PM IST
  • ঝড়-বৃষ্টির জেরে কলকাতা ও শহরতলিতে গরমের তেজ অনেকটাই কমেছে।
  • আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী সোমবার, যেদিন ভোটগণনা সেদিনই সবচেয়ে বেশি দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।

ঝড়-বৃষ্টির জেরে কলকাতা ও শহরতলিতে গরমের তেজ অনেকটাই কমেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী সোমবার, যেদিন ভোটগণনা সেদিনই সবচেয়ে বেশি দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। রবিবার থেকে বৃষ্টির মাত্রা আরও বাড়বে, হাওয়ার গতি পৌঁছতে পারে ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টায়। মঙ্গলবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে সোমবারই পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে। ওই দিন শহরে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি এবং ৫০-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও একই ছবি। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় রবিবার থেকেই ঝড়ের দাপট বাড়বে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই দুর্যোগের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।

এদিকে, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সোমবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকাতেও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাব পড়তে পারে।

উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপট অব্যাহত। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পঙে শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। জলপাইগুড়িতে রবিবারও ভারী বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে গোটা উত্তরবঙ্গেই।

আবহাওয়াবিদদের মতে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বাংলাদেশের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের ওপর আরেকটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ করায় ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এই আবহাওয়ার প্রভাবে তাপমাত্রাও অনেকটাই কমেছে। কলকাতায় শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৪ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের নিচে রয়েছে। আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement