Advertisement

মোদী-শাহ থেকে মুখ্যমন্ত্রীরা, ভিভিআইপিদের ভিড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা কলকাতায়

বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে চলেছে কলকাতার ময়দান। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিতে চলেছে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার বাংলার প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে বসতে চলেছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণে গোটা শহরজুড়েই তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ, পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তার বলয়।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 May 2026,
  • अपडेटेड 9:21 AM IST
  • বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে চলেছে কলকাতার ময়দান।
  • শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিতে চলেছে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার।

বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে চলেছে কলকাতার ময়দান। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিতে চলেছে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার বাংলার প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে বসতে চলেছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণে গোটা শহরজুড়েই তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ, পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তার বলয়।

এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। কারণ, একই মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক হেভিওয়েট নেতা, বিভিন্ন বিজেপি-শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি শিল্পপতি, চলচ্চিত্র তারকা, ক্রীড়াবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিও অনুষ্ঠানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এক অবসরপ্রাপ্ত আমলার কথায়, 'কলকাতায় এত বিপুল সংখ্যক ভিভিআইপি-কে একসঙ্গে শেষ কবে দেখা গিয়েছে, তা মনে করা কঠিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ব্রিগেড সমাবেশের স্মৃতিই মনে পড়ে যায়।' ১৯৭২ সালের সেই সমাবেশ ছিল ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। এবার সেই ব্রিগেডই আবার সাক্ষী হতে চলেছে আর এক রাজনৈতিক পালাবদলের।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সকাল ১১টা নাগাদ ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রবেশের জন্য রাখা হয়েছে ২০টি গেট এবং ভিআইপিদের জন্য আলাদা ৫টি প্রবেশপথ। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত, ছৌ-নৃত্য থেকে শুরু করে বাঙালির প্রিয় ঝালমুড়ি ও রসগোল্লার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে কিছুটা চিন্তায় রয়েছে আয়োজকরা। বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে বিকল্প অন্দরমহলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকছে নজিরবিহীন। ব্রিগেড ও সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হবে চার হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী। কলকাতা পুলিশ, রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকবে স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (SPG)। ব্রিগেডের ভিতরে ছাতা, ব্যাগ কিংবা বোতল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

Advertisement

অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। এসপ্ল্যানেড রো, কিডারপুর রোড, কুইন্সওয়ে, ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ-সহ একাধিক এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ভোর ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অধিকাংশ পণ্যবাহী যানবাহনের শহরে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement