Advertisement

Food Safety Raid: গড়িয়াহাটের বাজারেও পচা মাংস? ফ্রিজার খুলতেই যা দেখলেন অফিসাররা

গড়িয়াহাট বাজারে বড়সড় অভিযান। সোমবার সকালে আচমকাই বাজারে পৌঁছে গেলেন কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। মাছ-মাংস কতটা নিরাপদ, তা খতিয়ে দেখতে একের পর এক দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। কোথাও সংরক্ষণ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠল।

একের পর এক দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। একের পর এক দোকানে তল্লাশি চালানো হয়।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 07 Sep 2026,
  • अपडेटेड 4:06 PM IST
  • গড়িয়াহাট বাজারে বড়সড় অভিযান।
  • প্লাস্টিকের প্যাকেটে বিপুল পরিমাণ চিকেন এবং মাটন রাখা ছিল।
  • অভিযোগ, বেশ কিছু প্যাকেটের মাংস দীর্ঘ সময় ধরে বরফে জমিয়ে রাখা হয়েছিল।

গড়িয়াহাট বাজারে বড়সড় অভিযান। সোমবার সকালে আচমকাই বাজারে পৌঁছে গেলেন কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। মাছ-মাংস কতটা নিরাপদ, তা খতিয়ে দেখতে একের পর এক দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। কোথাও সংরক্ষণ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন। কোথাও আবার দীর্ঘদিন ধরে বরফে রাখা মাংসও মিলল। এদিন শুরুতেই মাংসের দোকানগুলিতে যান আধিকারিকেরা। সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ক্রেট এবং ফ্রিজ়ার খুলে দেখা হয়। সেখানে প্লাস্টিকের প্যাকেটে বিপুল পরিমাণ চিকেন এবং মাটন রাখা ছিল। অভিযোগ, বেশ কিছু প্যাকেটের মাংস দীর্ঘ সময় ধরে বরফে জমিয়ে রাখা হয়েছিল।

আরও বড় সমস্যা প্যাকেটের গায়ে। মাংস কবে ফ্রিজ়ারে রাখা হয়েছে, কত দিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করা যাবে; তার কোনও উল্লেখ ছিল না। অর্থাৎ, সংরক্ষণের তারিখ বা ব্যবহারের শেষ তারিখের তথ্যই ছিল না বেশ কিছু প্যাকেটে।

এর পরেই ব্যবস্থা নেন পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকেরা। প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি ফ্রোজেন মাংস বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে পুরসভা সূত্রে খবর। সেগুলি যাতে আর কেউ খাবার হিসাবে ব্যবহার করতে না পারেন, তার জন্য নষ্ট করে দেওয়া হয়। মাংসের উপর ফিনাইল ঢেলে তা ব্যবহারের অনুপযোগী করা হয়। পরে পুরসভার গাড়িতে করে সেগুলি ভ্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

মাছের দোকানেও কড়া নজর
শুধু মাংস নয়। গড়িয়াহাটের মাছের বাজারও ঘুরে দেখেন আধিকারিকরা। বাজারের প্রতিটি মাছের দোকানে গিয়ে মাছের গুণমান পরীক্ষা করেন ফুড সেফটি অফিসারেরা।

দোকান থেকে মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রতিটি নমুনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর নাম এবং স্বাক্ষর নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর পর নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে পরীক্ষাগারে। ল্যাব রিপোর্টে মাছের গুণমান নিয়ে কোনও সমস্যা ধরা পড়ে কি না, এখন সেটাই দেখার।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, মাছ ও মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। বিশেষ করে ফ্রোজেন মাংসের ক্ষেত্রে তারিখের তথ্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ। হোটেল এবং রেস্তরাঁয় ফ্রোজেন মাংস রাখার ক্ষেত্রেও ডেট ট্যাগিংয়ের নিয়ম রয়েছে। বাজারের দোকানগুলিতেও সংরক্ষণ ও ব্যবহারের সময়সীমা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

Advertisement

দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত বাজার গড়িয়াহাট। প্রতিদিন বহু মানুষ এই বাজারে মাছ, মাংস এবং অন্যান্য সামগ্রী কিনতে আসেন। কলকাতার পাশাপাশি আশপাশের এলাকাতেও এই বাজারের যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। এখান থেকে শহরের বেশ কিছু নামজাদা হোটেল-রেস্তোরাঁয় সাপ্লাই যায়।

এর আগে শহরের বিভিন্ন হোটেল, রেস্তরাঁ, মিষ্টির দোকান, পাউরুটি ও দুধ তৈরির কারখানাতেও খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান চালিয়েছে। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল বড় বাজারও।  

Read more!
Advertisement
Advertisement