Advertisement

KMC Election: কলকাতা পুরসভার ভোট এখনই নয়, ডিলিমিটেশন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতের নির্দেশ হাইকোর্টের

আজ বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতির অন্তর্বর্তীকালীন রায় দিতে অস্বীকার করে। তাঁর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা হয় আপিল। সেই শুনানি চলাকালীন এই নির্দেশ দেওয়া হয় হাই কোর্টের তরফ থেকে। এর ফলে কলকাতা পুরসভার ভোট এখন আর হচ্ছে না বলেই ধরে নেওয়া যায়। 

কলকাতা পুরসভার ভোট নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টেরকলকাতা পুরসভার ভোট নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Nov 2026,
  • अपडेटेड 11:38 AM IST
  • আজ বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে
  • সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতির অন্তর্বর্তীকালীন রায় দিতে অস্বীকার করে
  • তাঁর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা হয় আপিল

কলকাতা পুরসভার নির্বাচন নিয়ে বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বা সীমানা নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন) সংক্রান্ত মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কলকাতা পুরসভার ভোটের দিন ঘোষণা করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এমনই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ। তাঁদের তরফে অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। তাঁরা জানান, আগে ওয়ার্ড ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হবে। তার আগে পর্যন্ত পুরভোটের দিন ঘোষণা করা যাবে না। ডিলিটেশন সংক্রান্ত মামলা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে বিচারাধীন রয়েছে।

আসলে এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতির অন্তর্বর্তীকালীন রায় দিতে অস্বীকার করেন। তাঁর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা হয় আপিল। সেই শুনানি চলাকালীন এই নির্দেশ দেওয়া হয় হাইকোর্টের তরফ থেকে। এর ফলে কলকাতা পুরসভার ভোট এখন আর হচ্ছে না বলেই ধরে নেওয়া যায়। 

কী নিয়ে সমস্যা? 
আসলে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডের ডিলিমিটেশন করা হচ্ছে। পুরসভার ওয়ার্ডের ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯টি করা হয়েছে। আর এই ডিলিমিটেশন নিয়ে অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। তাদের দাবি, নিয়ম মেনে ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস করা হয়নি। 

আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন কসবার বাসিন্দা সিপিএমের দীপু দাস। সেই মামলা এখনও চলছে। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি। বরং দুই পক্ষের কাছেই হলফনামা চেয়েছিল। রাজ্য সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিতে বলেছেন বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য। তারপর মামলাকারীকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বক্তব্য জানাতে হবে।

তবে এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলাকারী যান ডিভিশন বেঞ্চে। তাঁর দাবি ছিল, ছয় সপ্তাহ যদি অপেক্ষা করা হয়, তাহলে পুরভোট হয়ে যাবে। তখন এই মামলার ফলাফলের কোনও গুরুত্ব থাকবে না। যদিও সেই মামলাতেই শুক্রবার অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। বলা হয়েছে, সিঙ্গল বেঞ্চে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোটের দিন ঘোষণা করা যাবে না। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement