Advertisement

Howrah Station Bulldozer Action: মধ্যরাতে ফের বুলডোজার অভিযান, হাওড়া স্টেশনের বাইরে থেকে উচ্ছেদ বহু দোকান

রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর থেকে ঘটে চলেছে নানা কর্মকাণ্ড। অ্যালার্ট মোডে রয়েছে প্রশাসন। জায়গায় জায়গায় অবৈধ দখলদারি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কোথাও চলছে বুলডোজার অভিযান। আর এই অভিযানের অংশ হিসেবেই শনিবার গভীর রাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে চলল বড় আকারের উচ্ছেদ অভিযান। স্টেশনের বাইরে গঙ্গা ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডের চারপাশের ফুটপাত এবং সরকারি রাস্তায় থাকা অবৈধ দোকানগুলিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসনের বুলডোজার।

 মধ্যরাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে থেকে উচ্ছেদ বহু দোকান মধ্যরাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে থেকে উচ্ছেদ বহু দোকান
Aajtak Bangla
  • হাওড়া,
  • 17 May 2026,
  • अपडेटेड 8:09 AM IST
  • রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর থেকে ঘটে চলেছে নানা কর্মকাণ্ড।
  • হাওড়া স্টেশনের বাইরে চলল বড় আকারের উচ্ছেদ অভিযান।
  • অবৈধ দোকানগুলিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসনের বুলডোজার।

রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর থেকে ঘটে চলেছে নানা কর্মকাণ্ড। অ্যালার্ট মোডে রয়েছে প্রশাসন। জায়গায় জায়গায় অবৈধ দখলদারি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কোথাও চলছে বুলডোজার অভিযান। আর এই অভিযানের অংশ হিসেবেই শনিবার গভীর রাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে চলল বড় আকারের উচ্ছেদ অভিযান। স্টেশনের বাইরে গঙ্গা ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডের চারপাশের ফুটপাত এবং সরকারি রাস্তায় থাকা অবৈধ দোকানগুলিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসনের বুলডোজার।

বছরের পর বছর ধরে ফুটপাত ও সরকারি রাস্তা দখল করে থাকা দোকানদারদের উচ্ছেদ করার জন্য এই অভিযান চালানো হয়। সরকারি জমি থেকে দোকানদারদের উচ্ছেদ করার জন্য এই অভিযান, সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

কড়া সুরক্ষা নিয়ে চলে বুলডোজার

যে জায়গায় এই অভিযান চালানো হয়, সেই এলাকাটি পুরোপুরি রেলওয়ের এখতিয়ারভুক্ত। তাই অভিযান চলার সময় IOW, RPF এবং হাওড়া সিটি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক-সহ একটি বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। প্রশাসন কোনও কালবিলম্ব না করে বুলডোজার দিয়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী -দুই ধরনের বৈআইনি দোকান ভেঙে দিয়ে, পুরো এলাকা খালি করে দেয়।

একটি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, উচ্ছেদ অভিযানের সময় কোনও অনাকাঙ্খিত ঘটনা, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ যাতে না ঘটে সেদিকে নজর দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পুরো এলাকাকে কার্যত পুলিশ ব্যরিকেডে পরিণত করা হয়।  প্রশাসনিক কর্তারা ব্যক্তিগত ভাবে গোটা বিষয়টির উপর নজরদারি চালান। ফলে কোনও বড় ধরনের প্রতিবাদ দানা বাঁধতে পারেনি। তবে আচমকা এমন পদক্ষেপে দোকানদারদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এমন অভিযান প্রয়োজনে আরও চলবে। এক প্রশাসনিক আধিকারিক বলেন, হাওড়া স্টেশনের মতো অত্যন্ত ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা যানজট ও অবৈধ দখলমুক্ত রাখাই তাঁদের অগ্রাধিকার। ফুটপাতে অবৈধ দখলের কারণে যাত্রীদের যাতায়াতে ব্যাপক অসুবিধা হচ্ছিল বলেই দাবি করেন তিনি। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, রেললাইন ও সরকারি সম্পত্তি পুনরায় দখলের কোনও চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement