Advertisement

Sarbori Mukherjee JU Issue: 'আমি কোনও উস্কানিমূলক কথা বলিনি', যাদবপুর ইস্যুতে বিতর্কের মুখে বললেন শর্বরী

যাদবপুরের বিধায়কের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর সারা রাজ্য জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমনকী অনেকেই তাঁকে তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তোলেন। এমন পরিস্থিতিতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নামলেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়। জানালেন, তিনি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী। 

শর্বরী মুখোপাধ্যায়শর্বরী মুখোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Aug 2026,
  • अपडेटेड 7:36 AM IST
  • যাদবপুরের বিধায়কের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর সারা রাজ্য জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে
  • অনেকেই তাঁকে তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তোলেন
  • আত্মপক্ষ সমর্থনে নামলেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অশান্তির জন্য এসএফআই সহ বাম ছাত্র সংগঠনগুলিকে আক্রমণ করেছিলেন বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তিনি হুঙ্কার দিয়েছিলেন, 'সারারাত ধরে তাণ্ডব চলবে।' আর এই কথার জন্য তাঁকে তদন্তের আওতায় আনার দাবি ওঠে। শুরু হয়ে যায় নিন্দা। বিতর্ক চরমে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন শর্বরী। দাবি করলেন, তিনি কোনও উস্কানিমূলক কথা বলেননি।

আসলে যাদবপুরের বিধায়কের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর সারা রাজ্য জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমনকী অনেকেই তাঁকে তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তোলেন। এমন পরিস্থিতিতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নামলেন শর্বরী। জানালেন, তিনি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী। 

শর্বরী দাবি করেন, তিনি কোনও ধরনের উস্কানিমূলক কথা বলেননি। তিনি এবিভিপি-র ৫-৬ জন, যাঁরা গুরুতর আহত হয়েছেন, তাঁদের যারা মেরেছে, তাদের ধরার কথা বলেছিলেন। এই সব ব্যক্তিরা লুকিয়ে থাকলেও তাদের বের করা হবে বলে জানিয়ে দেন শর্বরী। তাঁর কথায়, 'আমি কোনও উস্কানিমূলক কথা বলিনি।’

এই প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, 'গত পরশু রাতে মারা হয়েছে। তারপর আমি গিয়েছিলাম হাসপাতাল। আমি তো থানার সামনে গিয়ে বলেছি, শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করুন। এজিটেশন করবার অধিকার সকলের রয়েছে। কিন্তু সেটা যেন শান্তিপূর্ণভাবে হয়। আমি বিজেপির ছেলেদের বলেছি, আপনারা এখান থেকে চলে যান। আন্দোলন করছে এবিভিপি, গণতান্ত্রিক অধিকার তাঁদের রয়েছে।’

কী বলেছিলেন শর্বরী?
আসলে জিবি মিটিং ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অভিযোগ, জেনারেল বডি মিটিং চলার সময় এবিভিপি এবং এসএফআই-এর বিরুদ্ধে ঝামেলা হয়। তারপর শুরু হয় হাতাহাতি। এমন পরিস্থিতিতে কিছুজন আহত হন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান শর্বরী। 

তখন তিনি বলেন, ‘আমি সৃজন ভট্টাচার্যকে বলছি, অলিভ দাস, রহমান মল্লিক, অনির্বান, সাগ্নিক সরকার, এদেরকে যদি ১ ঘণ্টার মধ্যে যাদবপুর থানায় সারেন্ডার না করান... আমি কিন্তু যেখানে লুকিয়ে আছে, সেখান থেকে টেনে বার করব। সারারাত তাণ্ডব চলবে আজ।’

Advertisement

সেই সঙ্গে তিনি হুঙ্কার দিয়ে জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নক্সাল, মাওবাদী বা দেশ বিরোধী কোনও শক্তি চালাতে পারবে না। এটা চলবে না। এরপরই তাঁর 'সারারাত তাণ্ডব চলবে' বক্তব্যের নিন্দা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে নিজের হয়ে সাফাই দিলেন বিধায়ক। তিনি দাবি করলেন, কোনও উস্কানি দেননি তিনি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement