Advertisement

Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর মুখে KMC-র কালীর নাম, এর সই ছাড়া নাকি কিছু হত না, কে এই প্রভাবশালী? জানুন

আজ বিধানসভায় তারতলা ইস্যুতে কালীর কথা তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এখন প্রশ্ন হল, কে এই কালী? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

শুভেন্দু অধিকারীশুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:05 PM IST
  • আজ বিধানসভায় কালীর কথা তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
  • এখন প্রশ্ন হল, কে এই কালী?
  • আসুন জেনে নেওয়া যাক

তারাতলা বিপর্যয়ে মৃতদের পরিবারকে রাজ্যের তরফে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এই ঘটনার জন্য তিনি অতীতের তৃণমূল সরকারকেই দায়ী করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'কালীকে তুললে সব বেরিয়ে যাবে। কলকাতা পুরসভায় কালী না বললে কোনও প্ল্যান হয় না। আর কালী অ্যাপয়েন্টেড বাই ক্যামাক স্ট্রিক। আর এই কালী বাইপাসের ধারে তৃণমূলের পার্টি অফিস বানাচ্ছে ২০০ কোটি টাকা দিয়ে...'


আর মুখ্য়মন্ত্রীর এই বক্তব্য সামনে আসার পরই অনেকেরই প্রশ্ন, কে এই কালী? কীভাবে তাঁর এত প্রতিপত্তি? পুরসভা সূত্রে খবর, প্রাক্তন মেয়র ববি হাকিমের ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই বলতে চেয়েছেন শুভেন্দু। এই কালীচরণ ওরফে কালী বহু দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। 

কে এই কালী?
যতদূর জানা যাচ্ছে, ২০০৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় দ্বিতীয় হন কালীচরণ। তখন তিনি ভূমি রাজস্ব দফতরে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। ২০০৬ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষা দেন। রাজ্য থেকে প্রথম হন কালীচরণ। ২০০৮ রাজ্য পুলিশে যোগ দেন তিনি। কিন্তু ডিএসপি প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় শারীরিক এবং পারিবারিক কারণে তিনি পুলিশের চাকরি ছেড়ে দেন। 

এই সময়ই তিনি ভূমি রাজস্ব দফতরে পুরনো পদে ফিরে আসেন। তারপর ২০০৯ সালে কলকাতা পুরসভার ডেপুটি ম্যানেজার হওয়ার পরীক্ষা দেন। এই পরীক্ষাতেও প্রথম হন। এরপর কলকাতা পৌরসভার ৯ নম্বর বরো অফিসে সোশ্যাল সেক্টর বিভাগে যোগ দেন। ওই সময় সেই বোরোর চেয়ারম্যান ছিলেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম। আর সেই সময়ই ফিরহাদ হাকিমের কাছের মানুষ হয়ে ওঠেন এই কালী। তাঁর প্রভাব বাড়তে থাকে।

এরপর ২০১৮-তে কলকাতার মেয়র হন ফিরহাদ হাকিম। সেই সময়ই ফিরহাদ হাকিম কালীকে ওএসডি পদে নিয়ে আসেন। আর সেই কালীর দিকেই এবার আঙুল তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সরাসরি মন্তব্য করলেন, কালীকে ছাড়া কোনও প্ল্যান পাশ হয় না কলকাতায়। 

Advertisement


কী অভিযোগ?
অনেকেরই অভিযোগ, মেয়র থাকার সময় কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখ দিয়েই সবটা দেখতেন তিনি। কলকাতা পুরসভায় শেষ কথা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। টাকা নিয়ে ট্রান্সফার করিয়ে দেওয়া, পোস্টিং দেওয়া, বিল্ডিং বিভাগের কাজ করা সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement