Advertisement

Tollygunge Illegal construction: টালিগঞ্জে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার পৌঁছতেই ধুন্ধুমার, পুলিশকে ঘিরে ক্ষোভ

Bulldozer Action: টালিগঞ্জে বেআইনি নির্মাণ ভাঙা ঘিরে তীব্র উত্তেজনা। অবৈধ বিল্ডিংটি ভাঙতে গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ।

টালিগঞ্জে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশ (প্রতীকী ছবি)টালিগঞ্জে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশ (প্রতীকী ছবি)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Aug 2026,
  • अपडेटेड 2:20 PM IST
  • বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ল পুলিশ।
  • ঘটনা ঘিরে তীব্র উত্তজেনা ছড়িয়েছে টালিগঞ্জের সাহেব বাগান এলাকায়।
  • স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি এভাবে ঘর ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে এখন তাঁরা কোথায় যাবেন?

ছুটির দিনে টালিগঞ্জে ধুন্ধুমার। একটি বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ল পুলিশ। ঘটনা ঘিরে তীব্র উত্তজেনা ছড়িয়েছে টালিগঞ্জের সাহেব বাগান এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে দাবি, এদিন সকালে বুলডোজার নিয়ে ওই বিল্ডিংটি ভাঙতে আসে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। অভিযোগ ওঠে, একটি ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে ওই বিল্ডিংটি তৈরি করা হয়েছিল। যেটি আদতে TMC-র পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহার হত। কিন্তু স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ওই বিল্ডিংয়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ছবি অস্পষ্ট ভাবে দেখা গেলেও সেটি আদতে কোনও পার্টি অফিস নয়, বরং কিছু পরিবার সেখানে থাকে। 

অন্যদিকে অভিযোগকারী ব্যক্তি দাবি করেছেন, আসলে ওয়াকফ সম্পত্তিকেই দীর্ঘদিন ধরে দখল করে তৃণমূল আটকে রেখেছে। এমনকি এর প্রতিবাদ করায় তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বাড়ির দেওয়ালে অস্পষ্ট ভাবে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও তৃণমূলের প্রতীক

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যে বিল্ডিংটি ভেঙে ফেলার জন্য পুলিশ গিয়েছে সেটি সম্প্রতি রঙ করা হয়েছে। কিন্তু সেই রঙের নীচে অস্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ছবি, এমনকি   তৃণমূলের প্রতীকের ছবিও। আর তার পরেই সন্দেহ জোরালো হয়, এটি কি তবে পার্টি অফিসই ছিল? যদিও স্থানীয়দের বক্তব্য ভোটের প্রচারের অংশ হিসেবেই ওই ছবি আঁকা হয়েছিল।

স্থানীয় মহিলাদের একাংশের বক্তব্য, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে থাকেন। আচমকা যদি এভাবে ঘর ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে এখন  তাঁরা কোথায় যাবেন? যদিও এই বিল্ডিং ভাঙার জন্য আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের তরফে বারংবার স্থানীয়দের বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই এলাকায় চলে আসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। ঘটনায় শুরু  হয় তীব্র উত্তেজনা।

শেষ মুহূর্তে ঘটনায় নাটকীয় মোড়

স্থানীয়দের সরিয়ে পুলিশ ভাঙার কাজ শুরু করার ঠিক আগেই নাটকীয় মোড় নেয় ঘটনা। ভাঙার কাজ শুরু হওয়ার আগেই হাই কোর্টে রায় চলে আসে। তাতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। পুরসভা ও মামলাকারীদের বক্তব্য শুনে বিচারপতি অর্ন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে মামলাটি। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বাড়িটি ভাঙা যাওয়া যাবে না বলে নির্দেশ।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement