Advertisement

ISKCON Mid Day Meal: স্কুলে মিড ডে মিলে ডিম বাদ, ISKCON তা হলে কী কী খাওয়াবে? ফাইভ স্টার কিচেনে নাকি রান্না হবে

এবার থেকে স্কুলের মিড ডে মিলে আর ডিম নয়। বদলে প্রোটিনযুক্ত নিরামিষ খাবার দেওয়া হবে বলে জানাল ইসকন। ডিমের বদলে কী কী পাওয়া যাবে? নিরামিষ খাবারে প্রোটিন কম পড়বে না বলে গ্যারান্টি দিলেন ইসকনের কলকাতা ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাস।

মিড ডে মিল মিড ডে মিল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 23 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:34 PM IST
  • স্কুলের মিড ডে মিলে আর ডিম নয়
  • প্রোটিনযুক্ত নিরামিষ খাবার দেওয়া হবে
  • কী কী খাবার খাওয়াবে ইসকন?

কলকাতা পুরসভা এলাকার স্কুলগুলির জন্য মিড-ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য বাজেটে। ইসকনের কিচেনে সম্পূর্ণ নিরামিষ খাবার তৈরি করা হয়। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে তবে কি কলকাতার সরকারি স্কুলের পড়ুয়ারা এবার থেকে আর মিড ডে মিলে ডিম পাবে না? উত্তর হল, না। ডিম বা মাংস, কোনওটাই আর মিড ডে মিলে জুটবে না বাচ্চাদের। 

ডিমের বদলে কী দেওয়া হবে পড়ুয়াদের?
কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা মুখপাত্র রাধারমন দাস বলেন, 'আমরা ভাত-ডাল, সমস্ত রকমের পুষ্টিকর সবজি, সোয়াবিন, পনির, রাজমা দেব বাচ্চাদের। প্রত্যেকদিনের প্রোটিন এবং ভিটামিনের মাত্রা বজায় রেখেই আমরা মেনু ঠিক করব।' তিনি জানিয়েছেন, ডায়েটিশিয়ানকে দিয়ে মিড ডে মিলের মেনু ঠিক করা হবে। যাতে খুঁটিয়ে দেখা হবে প্রোটিনের মাত্রা। প্রতিদিন স্বাদ অনুযায়ী মেনু বদল করা হবে। খিচুড়িও দেওয়া হবে কখনও কখনও। তাতেও পনির মেশানো থাকবে। 

নিরামিষ খাবার কি ডিম ও মাংসের বিকল্প হবে?
প্রশ্ন উঠছে, কলকাতার পড়ুয়ারা তো প্রাণিজ প্রোটিন পেতে চাইবে। সেক্ষেত্রে নিরামিষ খাবার কি ডিম ও মাংসের বিকল্প হবে? রাধারম দাস বলেন, 'ইসকন গ্যারান্টি দিচ্ছি, ডিম ও মাংসে যা প্রোটিন আছে, সেই অনুযায়ীই আমরা নিরামিষ খাবারের মেনু ঠিক করব। অনেকেরই ধারণা, ডিমে সবথেকে বেশি প্রোটিন থাকে। তেমনটা কিন্তু নয়। দেশের একাধিক রাজ্যে আমরা খাবার পরিবেশন করি। অনেকেই নিরামিষ আহার করেন। আমরা প্রোটিনের মাত্রা মেপে প্রতিদিন আলাদা আলাদা মেনু করব মিড ডে মিলে।'

স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনস্থ স্কুলগুলিতে প্রতি সপ্তাহেই ডিম দেওয়া হয়। মাংসও দেওয়া হত। তবে এবার থেকে ইসকন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর আমিষ খাবার থেকে বঞ্চিত হবে কলকাতার সরকারি স্কুলের পড়ুয়ারা। অনেকেরই প্রশ্ন, 'জোর করে শিশুদের খাদ্যাভ্যাস পাল্টে দেওয়া হচ্ছে কেন? নিরামিষ প্রোটিনও তো জরুরি।' 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে কলকাতার স্কুলগুলির জন্য মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ইসকনকে। তারাই খাওয়াবে। খেয়ে দেখুন গুণমানে ভাল। আপনার ইচ্ছা না হলে ‘হরেকৃষ্ণ’ বলবেন না।'

Advertisement

কবে থেকে মিড ডে মিলে নিরামিষ?

রাধারমন দাস আরও বলেন, 'অক্ষয় পাত্র নামে বিশেষ প্রকল্পের আওতায় শিশুদের খাবার তৈরি করি আমরা। ১২ লক্ষ শিশুর প্রত্যেক দিনের আহার রান্না হয় আমাদের কিচেনে। এক একটা কিচেনে ১ লক্ষ শিশুর খাবার রান্না করা হয়। ৫ স্টার কিচেন সবক'টা। হাতের ব্যবহার কমিয়ে আধুনিক মেশিন ব্যবহার করা হয় সেখানে। রুটি তৈরি হয় মেশিনে। স্টিলের কন্টেনারে খাবার প্যাক করে সরবরাহ করি আমরা। সিল কাটা পাওয়া গেলে সেই প্যাকেট বদল করে দিই।' আগামী ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করে ফেলবে বলে জানাচ্ছে ইসকন। কত শিশুর খাবার করতে হবে, তা জানতে স্কুলগুলি পরিদর্শনও করতে পারে তাদের প্রতিনিধিরা। 

কাজ হারাবেন রাঁধুনিরা?

এদিকে, বর্তমানে ICDS কর্মীরা স্কুল স্কুলে মিড ডে মিল রান্নার কাজ করেন। ইসকন এই দায়িত্ব পেলে তাঁদের রুজিরুটিতে ব্যাঘাত পড়বে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাঁধুনিদের বেতন প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বর্তমানে ২ হাজার টাকার পরিবর্তে তাঁরা পাবেন ৩ হাজার টাকা। কিন্তু আদৌ চাকরি থাকবে তো তাঁদের, উঠছে প্রশ্ন। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement