Advertisement

যাদবপুরে SFI vs ABVP ঘিরে তপ্ত পরিস্থিতি, JU-র ৪ নম্বর গেটের সামনে তুলকালাম

উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির সঙ্গে এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তুলকালাম পরিস্থিতি। ছাত্র সংসদ না থাকা সত্ত্বেও কেন জিবি মিটিং করা হল? এই নিয়ে বড় অশান্তির সূত্রপাত। ABVP বনাম SFI-সহ একাধিক বাম ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষের জেরে রাতভর উত্তপ্ত ছিল যাদবপুর চত্বর। বৃহস্পতিবার দুপুরে ABVP-র মিছিল ঘিরে ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় যাদবপুর থানা চত্বরে।

যাদবপুর থানার সামনে ভাঙল পুলিশের ব্যারিকেডযাদবপুর থানার সামনে ভাঙল পুলিশের ব্যারিকেড
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Aug 2026,
  • अपडेटेड 2:53 PM IST

উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির সঙ্গে এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তুলকালাম পরিস্থিতি। ছাত্র সংসদ না থাকা সত্ত্বেও কেন জিবি মিটিং করা হল? এই নিয়ে বড় অশান্তির সূত্রপাত।  ABVP বনাম SFI-সহ একাধিক বাম ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষের জেরে রাতভর উত্তপ্ত ছিল যাদবপুর চত্বর। বৃহস্পতিবার দুপুরে ABVP-র মিছিল ঘিরে ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় যাদবপুর থানা চত্বরে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নতুন করে  ABVP-র মিছিল ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। যাদবপুর থানার কাছে ABVP-র মিছিল আটকায় পুলিশ। এদিকে পুলিশের ব্যারিকেড ফেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ABVP সমর্থকরা। এই পরিস্থিতিতে গোলপার্ক থেকে যাদবপুরের দিকে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। এদিকে প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে দিলে দ্বিতীয় ব্যারিকেডও ভেঙে ক্যাম্পাসের দিকে এগিয়ে যান ABVP সমর্থকেরা।  

এদিকে  SFI-এর পৃথক মিছিল ঘিরেও রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। সিপিএম নেত্রী দীপ্সিতা ধর রয়েছেন এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়।  দুই ছাত্র সংগঠনের মিছিল মুখোমুখি হওয়ার উপক্রম হতেই পুলিশ মিছিল আটকে দেয়।  কিন্তু ব্যারিকেড ভেঙে একাংশ পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে পৌঁছে যায়। তাতেই পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ না থাকা সত্ত্বেও জেনারেল বডি মিটিং ডাকার এক্তিয়ার কীভাবে হল? এই ইস্যু নিয়েই বুধবার বাঁধে অশান্তি।  এবিভিপির সঙ্গে এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তুলকালাম বেঁধে যায়। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় দ্বন্দ্ব । প্রতিবাদ করতে যান এবিভিপি সমর্থকরা। তখনই এবিভিপির সঙ্গে এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মধ্যে বড়সড় অশান্তি বাঁধে।  এবিভিপির অভিযোগ, তাঁরা প্রতিবাদ জানাতে গেলেই উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁদের সমর্থকদের উপর চড়াও হয় SFI-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সমর্থকরা। ABVP সমর্থকদের উদ্দেশে জাতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয় বলেও  অভিযোগ। এরপর পাল্টা ABVP সমর্থকরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েন। SFI-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সমর্থকদের উপর তাঁরা চড়াও হন বলে অভিযোগ। গভীর রাতের এই ঘটনায় তাঁদের ৬-৭ জন সমর্থক আহত হয়েছেন বলে দাবি ABVP-র। আহতদের KPC মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছন বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। এরপর তাঁর নেতৃত্বে BJP ও ABVP সমর্থকরা যাদবপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন ABVP-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শুভব্রত অধিকারী এবং রাজ্য সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে দুই সংগঠনের তরফেই বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্ট ফেডারেশনস্‌ (ডিএসএফ)-এর সদস্যেরা যাদবপুর এইটবি থেকে মিছিল শুরু করেন। পাল্টা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর মিছিল শুরু হয় গোলপার্ক থেকে। অশান্তির আঁচ আগেই করা হয়েছিল। তাই বিশাল পুলিশবাহিনীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা ছিল ওই এলাকায়। তবে, এসএফআই-এর মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যাওয়ার মূল রাস্তায় ওঠার আগেই পুলিশ আটকে দেয়। অন্যদিকে, গোলপার্ক থেকে এবিভিপি-র মিছিল শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেট পর্যন্ত যাওয়ার কথা এই মিছিলের। তবে, যাদবপুর থানা পর্যন্ত যাওয়ার পরই পুলিশের তরফে সেই মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গেটে তালা মেরে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের তরফে। জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেট-এর উল্টোদিকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত শুরু করেছেন।

Read more!
Advertisement
Advertisement