Advertisement

Jadavpur University থেকে মোছা হল বিতর্কিত দেওয়াল লিখন, নির্দেশ দিয়েছিলেন CM শুভেন্দু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দেওয়ালে দেশবিরোধী ও সামাজিক বার্তা লেখার অভিযোগ। সেই অভিযোগ পেয়ে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দেওয়াল লিখন সাফযাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দেওয়াল লিখন সাফ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:28 PM IST
  • আপত্তিকর দেওয়াল লিখন মোছার নির্দেশ দিয়েছিলেন শুভেন্দু।
  • সেই মতো সাফ হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল।

যাদবপুর ক্যাম্পাস থেকে দেওয়াল লিখন ও গ্রাফিটি মুছে ফেলা হল। আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেগুলি 'দেশবিরোধী' বলে অভিহিত করেছিলেন। তারপরই পদক্ষেপ করল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মুছে ফেলা হল বিতর্কিত দেওয়াল লিখন, গ্রাফিটি। শনিবার রাত থেকে সেগুলি মোছার প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে খবর। 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেওয়াল লিখনের উপর সাদা রং পড়েছে। জানা গিয়েছে, এই কাজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বাম সংগঠনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। 

কয়েকদিন আগে নেট মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই ভিডিওয়র বিষয় ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল লিখন। শুভেন্দু লিখেছিলেন,'কয়েক জন সচেতন ছাত্রের কাছ থেকে উদ্বেগজনক কিছু ভিডিও এবং ছবি পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর। কলা বিভাগের ছাত্রদের হস্টেল চত্বরে আপত্তিকর, হিংসাত্মক, সমাজবিরোধী এবং দেশবিরোধী দেওয়াল লিখন ও গ্রাফিটি রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জ্ঞানচর্চা, শিক্ষার উৎকর্ষ এবং দেশ গঠনের পবিত্র জায়গা। কোনওভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসকে বিকৃত প্রচার বা ভারতবিরোধী মনোভাব ছড়ানোর মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উচ্চশিক্ষা দফতরের প্রধান সচিব এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আধিকারিকদের অবিলম্বে তদন্ত শুরু করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রথমে কলা বিভাগের ছাত্রদের হস্টেল এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেখানে ওই ধরনের আপত্তিকর দেওয়াল লিখন বা ছবি আদৌ রয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে হবে। তা পাওয়া গেলে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে পদক্ষেপ করতে হবে'।

তিনি যোগ করেন,'রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে দেশবিরোধী কার্যকলাপের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসের ক্ষেত্রে এই নীতি আরও কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। সংশ্লিষ্ট দফতর এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ ও প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে'।

তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, তদন্তে দেশবিরোধী বার্তা বা বিকৃত ও আপত্তিকর ছবি থাকার বিষয়টি সত্যি বলে প্রমাণিত হলে অবিলম্বে সেগুলি মুছে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে কারা এর জন্য দায়ী, তা চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক এবং আইনি পদক্ষেপ করতে হবে'।
 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement