Advertisement

Jadavpur Vidyapith: কলকাতার স্কুলে রেজিস্টার্ড পার্সেলে এল কোরান, চিঠিতে ইসলামি শিক্ষার প্রস্তাব, দায়ের FIR

Jadavpur Vidyapith: শহরের নামী স্কুলে রেজিস্টার করা পার্সেলে এল কোরান সহ নানা ইসলামি পুস্তক। পাশাপাশি একটি চিঠিতে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় দায়ের হয়েছে FIR

নামী স্কুলে রেজিস্টার্ড পার্সেলে এল কোরান, চিঠিতে ইসলামি শিক্ষার প্রস্তাব, দায়ের FIR নামী স্কুলে রেজিস্টার্ড পার্সেলে এল কোরান, চিঠিতে ইসলামি শিক্ষার প্রস্তাব, দায়ের FIR
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Sep 2026,
  • अपडेटेड 5:14 PM IST
  • যাদবপুর বিদ্যাপীঠের ঠিকানায় আসা একটি রেজিস্টার্ড পার্সেল ঘিরেই দানা বাঁধে বিতর্ক।
  • স্কুলে পাঠানো ওই পার্সেলে রয়েছে একটি চিঠি, ইসলামি নানা গ্রন্থ, এমনকি কোরানও।
  • স্কুলের পাঠ্যক্রমে ইসলাম ধর্মের শিক্ষা এবং ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে দাবি।

শহরের নামী স্কুলে জোর চাঞ্চল্য। গত সপ্তাহে যাদবপুর বিদ্যাপীঠের ঠিকানায় আসা একটি রেজিস্টার্ড পার্সেল ঘিরেই দানা বাঁধে বিতর্ক। দেখা যায় স্কুলে পাঠানো ওই পার্সেলে রয়েছে একটি চিঠি, ইসলামি নানা গ্রন্থ, এমনকি কোরানও। ওই চিঠিতেই স্কুলের পাঠ্যক্রমে ইসলাম ধর্মের শিক্ষা এবং ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সোমবার যাদবপুর বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম বৈদ্য পিটিআইকে জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর কাছে কয়েকটি পার্সেল আসে। তার মধ্যে ইসলামের নানা ধর্মীয় বই ছাড়াও কোরানের একটি কপিও ছিল। এই পার্সেলের সঙ্গে একটি চিঠিও আসে। যেখানে স্কুলের পাঠ্যক্রমে ইসলাম ধর্মের শিক্ষা এবং ধর্মীয় গ্রন্থ অধ্যয়ন অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়।

কাল বিলম্ব না করে পরের দিন অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর যাদবপুর থানায় এফআইআর দায়ের করেন প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, “আমরা শহরের একটি নামী সরকারি স্কুল। কখনওই আমাদের পড়ুয়াদের মধ্যে ধর্মীয় গোঁড়ামির ভাবনা তৈরি করিনি। আমরা ভারতের বৈচিত্রপূর্ণ ভাবনায় বিশ্বাস করি। যেখানে পড়ুয়াদের কোনও একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মতবাদ শেখানো যায় না। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার মনে হচ্ছে, কিছু ব্যক্তি অশান্তি তৈরি করার উদ্দেশ্যেই এই চিঠি ও পার্সেল পাঠিয়ে থাকতে পারেন।”

তিনি বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপের নেপথ্যে কী রয়েছে, তা পুলিশেরই খুঁজে বের করা উচিত। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, “এছাড়াও, আমাদের স্কুল বিল্ডিংটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত। সম্প্রতি সেখানে দুই পক্ষের পড়ুয়াদের মধ্যে সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। ফলে আমরা কোনও ধরনের সমস্যা চাই না, কারণ এখানে হাজার হাজার বাচ্চা পড়াশোনা করে।”

নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পরেই এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, পার্সেলটির উৎস সম্পর্কে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রেরকের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা স্কুলের ভিতরে ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছেন। পার্সেল ও চিঠিতে যে প্রেরকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে তিনিই পার্সেলটি পাঠিয়েছেন কি না, নাকি তাঁর হয়ে অন্য কেউ এটি পাঠিয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement