Advertisement

Kajal Sheikh: শোভনদেবের মিষ্টি খাওয়ার খেসারত? ঋতব্রত শিবিরের MLA কাজলের নিরাপত্তারক্ষী তুলল নবান্ন

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। খেয়েছিলেন বিজয়ার মিষ্টিও। ছাব্বিশের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কাজল শেখ। তাঁর নিরাপত্তারক্ষী এবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হল।

কাজল শেখ কাজল শেখ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 29 Oct 2026,
  • अपडेटेड 4:36 PM IST
  • শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন
  • খেয়েছিলেন বিজয়ার মিষ্টিও
  • তাঁর নিরাপত্তারক্ষী এবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হল

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। খেয়েছিলেন বিজয়ার মিষ্টিও। আর তারপরই কাজল শেখের দেহরক্ষী প্রত্যাহার করে নেওয়া হল নবান্নের তরফে। ছাব্বিশের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কাজল শেখ। কিন্তু বিজয়ার পর হঠাৎ করে মমতাপন্থী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে জল্পনা উস্কে দিয়েছিল। তবে কি কাজল শেখের ঘরওয়াপসি হতে চলেছে? এই জল্পনার মাঝেই এবার তুলে নেওয়া হল তাঁর দেহরক্ষী। 

এ প্রসঙ্গে কাজল শেখের বক্তব্য, 'বিজয়ার মিষ্টি খেয়েছি তাই ২ জন সিকিউরিটিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।' বিধানসভায় ঋতব্রত তৃণমূল দলের চিফ হুইপ আখরুজ্জামানকে তিনি অনুরোধ করেন, যাতে তাঁর নিরাপত্তারক্ষী পুনরায় ফেরানো হয়। উল্লেখ্য, বিধায়ক হিসেবে একজন দেহরক্ষী নিদেনপক্ষে প্রাপ্য তাঁর। কিন্তু এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে কাজলের। 

বীরভূম জেলার এই রাজনীতিবিদ বরাবরই অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াই চালিয়েছেন। গরুপাচার মামলায় অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পর জেলায় কাজলের আধিপত্য বেড়েছিল। তৃণমূল আমলের শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদের আসনে জয়লাভ করে সভাধিপতি হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই কাজলকে ২ জন নিরাপত্তারক্ষী দেওয়া হয়। সামনে ও পিছনে পাইলট ও স্কট গাড়ি এবং ২ সশস্ত্র নিকাপত্তারক্ষী মোতায়েন ছিল কাজলের সুরক্ষায়। পরে সেই ক্যাটেগরি বৃদ্ধি পায় এবং ওয়াই ক্যাটেগরিতে কাজল শেখের সুরক্ষায় ১৫ পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। 

ছাব্বিশের বিধানসভায় তৃণমূলের দুর্দিনেও জোড়াফুল টিকিটে হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জেতেন কাজল শেখ। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর কাজলের ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা সরিয়ে দেওয়া হয়। পরিবর্তে ৪ জন নিরাপত্তারক্ষী দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। 

গত ৪ অগাস্ট কাজল শেখের বিরুদ্ধে জেলা পরিষদে অনাস্থা আনেন ১৯ জন সদস্য। অনাস্থা প্রস্তাবের বৈঠকের আগেই ২০ অগাস্ট কাজল জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন। একইসঙ্গে সরে যায় কাজলের সমস্ত নিরাপত্তাও। 

Advertisement

কিন্তু ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখানোর পর পুনরায় ২ জন দেহরক্ষী মোতায়েন হয় কাজলের সুরক্ষায়। তবে গত ২৮ অক্টোবর বিধানসভায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় এবং মিষ্টি খেতে দেখা যায়। এর পরিণাম হিসেবেই তাঁর নিরাপত্তা ফের প্রত্যাহার করে নেওয়া হল বলে অনুমান এই নেতার। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement