Advertisement

Firhad Hakim OSD Kali: দুপুরে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, রাতে অ্যাকশন, ফিরহাদের প্রাক্তন OSD কালীকে তুলল পুলিশ

তারাতালা বিপর্যয়ের নেপথ্যে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় জড়িত রয়েছেন বলে বিধানসভায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কালীকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

ফিরহাদ হাকিমের OSD কালী ফিরহাদ হাকিমের OSD কালী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 26 Jun 2026,
  • अपडेटेड 8:20 AM IST
  • গ্রেফতার প্রাক্তন মেয়রের প্রাক্তন OSD কালী
  • বিধানসভায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী
  • তাঁর বিরুদ্ধে কী কী বিস্ফোরক অভিযোগ?

বৃহস্পতিবার দুপুরেই বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাতে গ্রেফতার করা হল প্রাক্তন মেয়রের প্রাক্তন OSD কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তারাতলা বিপর্যয়ের নেপথ্যে জড়িত থাকার অপরাধেই এই গ্রেফতারি। তাঁকে গ্রেফতার করেছে এই ঘটনায় গঠিত হওয়া SIT-এর তদন্তকারীরা।

তারাতলা বিপর্যয় নিয়ে বিধানসভায় নথি তুলে ধরে ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্ল্যানে ফিরহাদের সই রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। এরপরই তাঁর মুখে শোনা যায় কালীর কথা। শুভেন্দু বলেছিলেন, 'কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে যাবে। ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই পুরসভায় নিয়োগ করা হয়েছিল কালীকে। আর কালী জানে না এমন কোনও বিল্ডিং কলকাতায় নেই। সব বিল্ডিংয়ের অনুমোদন হত ওর কথায়।' মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের কয়েকঘণ্টার মধ্যে কালী ওরফে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে SIT। 

এই কালীচরণের অ্যাকাডেমিক কেরিয়ার বেশ উজ্জ্বল।  ২০০৩ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে দ্বিতীয় হন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগ দেন ভূমি রাজস্ব দফতরে। এরপর ২০০৬ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। তাতে প্রথম হয়ে ২০০৮ সালে রাজ্য পুলিশে যোগ দেন। কিন্তু প্রশিক্ষণের সময় তা ছেড়ে দেন বিশেষ কারণে। ওই বছরই ফের ভূমি রাজস্ব দফতরে ফিরে যান তিনি। সূত্রের খবর, ২০১০ সাল থেকে পুরসভায় কাজ শুরু কালীচরণের। সেই সময় মেয়র পারিষদ ছিলেন ফিরহাদ। কালীচরণ ছিলেন ফিরহাদের OSD অর্থাৎ অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি। ২০১৮ সালে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র হন ফিরহাদ হাকিম। শোনা যায়, ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই সেই সময় থেকেই কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের OSD হিসেবে নিযুক্ত করেন ফিরহাদ। 

বিল্ডিংয়ের নকশা পাশ থেকে শুরু করে পুরসভার সব কাজে প্রভাব ছিল কালীচরণের। তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই সব কাজ চলত। তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পেতেন না কাউন্সিলর থেকে শুরু করে কোনও পুর আধিকারিকই। তাঁর নামে পুরসভায় বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত। তাঁর অনুমতি ছাড়া ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করতে পারতেন না কেউই। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement