Advertisement

'এই অপমান আমার প্রাপ্য নয়,' হঠাত্‍ কল্যাণ ক্ষুব্ধ, মঞ্চে মমতার সঙ্গে ঠিক কী নিয়ে বচসা হয়?

Kalyan Banerjee: একুশের মঞ্চে খোদ দলনেত্রীর সঙ্গেই বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এমনকি ঘটনার জেরে তিনি অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়েও যান বলে দাবি।

'দীর্ঘ বক্তৃতা' ইস্যুতে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি, জানালেন কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়'দীর্ঘ বক্তৃতা' ইস্যুতে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি, জানালেন কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Jul 2026,
  • अपडेटेड 8:39 AM IST
  • দীর্ঘ বক্তব্য রাখা নিয়ে কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে মন কষাকষি হয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বের।
  • সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়।
  • মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় নিজে এসে তাঁকে ক্তব্য শেষ করার জন্য ইশারা করেন।

গতকালেই জানা গিয়েছিল একুশের মঞ্চে দীর্ঘ বক্তব্য রাখা নিয়ে কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে মন কষাকষি হয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বের। এবার সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের বেশি কথা বলা নিয়ে দলনেত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির পরেই মঞ্চ ছেড়ে, এমনকি অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে চলে যান কল্যাণ। পরে তিনি জানান, এই ঘটনায় 'অত্যন্ত মর্মাহত' হয়েছেন।

তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি অনুযায়ী, বিড়লা প্ল্যানেটেরিয়ামের কাছের সমাবেশে বক্তাদের তালিকা ছিল অনেকটা লম্বা। সেই কারণেই সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, যত কম সময় সম্ভব বক্তব্য রাখার জন্য। কিন্তু কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ওই মঞ্চেই সাড়ে ২২ মিনিট বক্তব্য রাখেন। বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূল ভেঙে বেরিয়ে যাওয়া ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় ও তাঁর সহযোগীদের উপরও নিশানা করেন তিনি। 

মঞ্চ থেকে কল্যাণ বলেন, "একমাত্র মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ই হলেন তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি-সমর্থিত মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু কর্মীরা তাঁদের সঙ্গে নেই। বিজেপি-সমর্থিত যে বিধায়করা ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখছেন, তাঁরা কেবল নিজেদের কবরই খুঁড়ছেন।"

মঞ্চে উপস্থিত একটি সূত্রে দাবি,কল্যাণ যখন সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন, তখন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় নিজে এসে তাঁকে ক্তব্য শেষ করার জন্য ইশারা করেন। কিন্তু তার পরেও কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায় ভাষণ চালিয়ে যান। পরে কুণাল ঘোষও মঞ্চে এসে বক্তব্য শেষ করার ইঙ্গিত দেন।

আর এরপরেই গোল বাঁধে। সূত্রের দাবি, বক্তৃতা শেষ হওয়ার পর এত লম্বা বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। দুজনের মধ্যে ছোট্ট করে কথা কাটাকাটিও হয়। আর তারপরেই  অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বা মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ভাষণের জন্য অপেক্ষা না করেই মঞ্চ ছাড়েন কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। 

মঞ্চে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানস্থল ছাড়ার আগে কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যাকে নেত্রীর সঙ্গে তর্ক করতেও দেখা যায়। নির্ধারিত সময়ের বাইরে কথা বলেছেন বলে ওঠা অভিযোগ নাকচ করে শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, "আমি আমার সময়ের বেশি বলিনি।"

Advertisement

পরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমি যখন কথা বলছিলাম, তখন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় মঞ্চে আসেন, তাই আমাকে থামতে হয়েছিল। এরপর দিদি এলেন, এবং আমি আবারও আমার বক্তব্য থামিয়ে দিই। আমি নির্ধারিত সময়ের বেশি কথা বলিনি। কিন্তু এই ধরনের অপমান আমার প্রাপ্য নয়। এই ধরনের আচরণে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। যখন অন্য সবাই দল ছেড়ে চলে গিয়েছে, তখন আমি দলের জন্য এত কঠিন লড়াই করছি। এটা আমার প্রাপ্য নয়।"

 

Read more!
Advertisement
Advertisement