Advertisement

'ক্যামাক স্ট্রিটই দলটাকে শেষ করে দিল', অভিষেককে ফের নিশানা কল্যাণের

ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর থেকেই মমতা-অভিষেকের হাত ছেড়ে ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দিয়েছেন অধিকাংশ বিধায়ক। তাঁরাই নিজেদের এখন আসল তৃণমূল বলে দাবি করছেন।

অভিষেকের বিরুদ্ধে ফের সরব কল্যাণ অভিষেকের বিরুদ্ধে ফের সরব কল্যাণ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:34 PM IST
  • কল্যাণের দাবি, বিরোধী রাজনীতি করার জন্য তাঁর উপর চাপ আসছে
  • মমতা-পন্থী দলের বহু কর্মী-সমর্থকেরও একই অবস্থা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে ছাড়ছেন না তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, মঙ্গলবার ফের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা মমতার ভাইপোকে আক্রমণ করলেন তিনি। নাম না করে করে বললেন, তাঁর জন্যই দলের এবারের ভরাডুবি। 

ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর থেকেই মমতা-অভিষেকের হাত ছেড়ে ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দিয়েছেন অধিকাংশ বিধায়ক। তাঁরাই নিজেদের এখন আসল তৃণমূল বলে দাবি করছেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সায়নী ঘোষ, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো মমতা-ঘনিষ্ঠ সাংসদরাও নতুন দলে যোগ দিয়েছেন। তবে সেই পথ মাড়াননি কল্যাণ। সাফ জানিয়েছেন, যতদিন রাজনীতি করবেন মমতার সঙ্গেই থাকবেন। কিন্তু, অভিষেককে যে তাঁর পছন্দ নয়, সেটাও বলতে ছাড়ছেন না। 

আজ মঙ্গলবারই যেমন বলেন, 'ক্যামাক স্ট্রিটটা শেষ করে দিল। দলটাকে ও শেষ করে দিল।' কেন তিনি একথা বলছেন তারও কারণ ব্যাখ্যা করেন। তাঁর দাবি, অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের জন্য অনেকে দল ছেড়েছেন। দলের কর্মীদের ডেকে ডেকে পুলিশ হুমকি দিচ্ছে। সুমিত রায়ের সঙ্গে কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে। কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত সদস্যদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে।

কল্যাণের দাবি, বিরোধী রাজনীতি করার জন্য তাঁর উপর চাপ আসছে। মমতা-পন্থী দলের বহু কর্মী-সমর্থকেরও একই অবস্থা। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৪ হাজার কেস করা হয়েছে। এরপরই অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিতের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। 

বলেন, 'ক্যামাক স্ট্রিটের সুমিত রায়ের সঙ্গে যারা সংগঠন চালানোর জন্য বেশি কথা বলতেন, তাঁদের ডাকছে পুলিশ। সুমিতের সঙ্গে শালবনির কেসে তাঁদের নাম জুড়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঋতব্রতর ক্যাম্পে যোগ দিতে বলছে পুলিশ। না হলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে। কাউন্সিলর,পঞ্চায়েত সদস্যদের ইস্তফা দেওয়ানো হচ্ছে। সুমিত রায়ের জন্যই অনেককে এই চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।'  

Read more!
Advertisement
Advertisement