
কালীপুজো মিটলেই কলকাতা পুরসভার ভোট। আর চাইলে আপনি পুরসভায় বিজেপি প্রার্থী হতেই পারেন। কাউন্সিলরের টিকিট চেয়ে করতে পারেন আবেদন। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আসলে এবার কলকাতা পুরসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছেন তিনি। আর তাঁর মুখ থেকে এই কথা শোনার পর অনেকের মনে আসছে হাজার প্রশ্ন। তাঁদের জিজ্ঞাসা, কারা আবেদন করতে পারবেন? ঠিক কীভাবে করা যাবে আবেদন? কোথায় গিয়ে আবেদন করতে হবে? আর এই সব বিষয়টা জেনে নিন।
কারা টিকিট পাবেন?
এই বিষয়টা সবার আগে জেনে নিতে হবে। নইলে অহেতুক আবেদন করে লাভ নেই। আর কারা টিকিট পেতে পারেন, সেই ক্রাইটেয়িরাও বলে দিয়েছেন সুকান্ত। আসুন সেই যোগ্যতা জেনে নেওয়া যাক-
১. যিনি যোগ্য তিনিই টিকিট পাবেন
২. যিনি জিততে পারবেন, এমন ব্যক্তিকেই টিকিট দেওয়া হবে
৩. যাঁর এলাকায় ভাবমূর্তি ভাল, তিনি অগ্রাধিকার পাবেন
৪. এলাকায় অবশ্যই গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে
৫. তরুণদের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে
যাঁদের এই সব যোগ্যতা রয়েছে, তাঁরা অনায়াসে কলকাতা কর্পোরেশন ভোটে বিজেপির টিকিট পাওয়ার জন্য আবেদন জানাতে পারেন।
সুকান্ত আরও বলেন, 'সমাজে সকলেই দলীয় কর্মী নন। কিন্তু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবীর মতো একাধিক পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। আপনারা স্টেডিয়ামে বসে হাততালি দেবেন না। মাঠে নেমে কাজ করুন। বিজেপি প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।' আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই বার্তা থেকে এটা পরিষ্কার যে, প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা একটু বেশি হলে অবশ্যই অ্যাডভান্টেজ মিলবে।
কীভাবে হবে প্রার্থী বাছাই?
এই বিষয়টাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া একবারে দলীয় স্তরে সেরে ফেলা হবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির জয়ের সম্ভাবনা থেকে শুরু করে জনসমক্ষে ভাবমূর্তি এবং এলাকায় গ্রহণযোগ্যতার মতো বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কোন ব্যক্তি টিকিট পাবেন।
কোথায় করতে হবে আবেদন?
এই বিষয়টাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপি পার্টির পক্ষ থেকে। তাদের দাবি, কলকাতা পৌরসভায় গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হতে চাইলে একটি আবেদন পত্র লিখতে হবে। সেখানে নিজের পরিচয় থেকে শুরু করে কেন আপনি প্রার্থী হতে চাইছেন, কীভাবে এলাকায় কাজ করবেন, এখন কী করেন ইত্যাদি বিষয়গুলি লিখে ফেলতে হবে। তারপর সেই আবেদনপত্র জমা দিতে হবে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনে বিজেপি-র পার্টি অফিসের বাইরে রাখা ড্রপবক্সে। এরপর ওই সব আবেদনপত্র নিয়ে দলীয় নেতৃত্ব আলোচনা করবে। তারাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।