Advertisement

Kolkata Police Commando: ব্য়ারাকের শৌচালয়ে উদ্ধার কমান্ডোর ঝুলন্ত দেহ, কলকাতার PTS-এ চাঞ্চল্য

কমান্ডো ব্যারাকের চতুর্থ তলার টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হল এক পুলিশ কমান্ডোর ঝুলন্ত দেহ। টয়লেটের ভিতরে একটি উপরের পাইপলাইনে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে।

ব্য়ারাকের টয়লেট থেকে উদ্ধার কমান্ডোর ঝুলন্ত দেহব্য়ারাকের টয়লেট থেকে উদ্ধার কমান্ডোর ঝুলন্ত দেহ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Sep 2026,
  • अपडेटेड 8:51 PM IST
  • কমান্ডো ব্যারাকের চতুর্থ তলার শৌচাগারের ভিতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হল কলকাতা পুলিশের এক কমান্ডোকে।
  • টয়লেটের ভিতরে একটি উপরের পাইপলাইনে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ আধিকারিক।
  • প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে তামাং আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।

শনিবার আলিপুরে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের একটি শৌচাগারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কমান্ডো ব্যারাকের চতুর্থ তলার শৌচাগারের ভিতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হল কলকাতা পুলিশের এক কমান্ডোকে। মৃতের নাম দীপক তামাং (৪৯)। টয়লেটের ভিতরে একটি উপরের পাইপলাইনে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ আধিকারিক।

তিনি জানিয়েছেন, কিছুক্ষণ ধরে শৌচাগারটি ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। এরপর তাঁর সহকর্মীরা সন্দেহ করে খোঁজ শুরু করেন। বারবার ডাকাডাকি করার পরেও কোনও সাড়া না মেলায় তাঁরা দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন। তখনই তামাংকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। সহকর্মীরা তাঁকে নামিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

জানা গিয়েছে, দীপক তামাং কালিম্পং জেলার বাসিন্দা ছিলেন। পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে তামাং আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে কী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

ওই আধিকারিক বলেন, ‘‘এই মুহূর্তে ঘটনার সমস্ত সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁর মৃত্যুর পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও তদন্তে বিবেচনা করা হবে।’’ কালিম্পংয়ের সাত মাইল এলাকার বাসিন্দা তামাং বেশ কয়েক বছর ধরে কলকাতা পুলিশের কমান্ডো বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। সহকর্মীদের কাছে তিনি দক্ষ ও অভিজ্ঞ পুলিশকর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে শরীরে ফাঁসের দাগ এবং আত্মহত্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিছু চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পরিস্থিতি এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কালিম্পংয়ে তাঁর পরিবারকেও খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement