Advertisement

Alipore Fire: কীভাবে পুড়ল ৪ হাজার EVM? আলিপুর অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে SIT গঠন

আলিপুরের সরকারি বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে SIT গঠন করল কলকাতা পুলিশ। দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরীর দাবি, ১০টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ৪ হাজার EVM ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তদন্তে আগুনের কারণ খতিয়ে দেখা হবে।

 তদন্তে আগুনের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে আগুনের কারণ খতিয়ে দেখা হবে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 12 Jun 2026,
  • अपडेटेड 7:41 PM IST
  • আলিপুরের অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করল কলকাতা পুলিশ।
  • কৌশিক চৌধুরীর দাবি, আগুনে প্রায় ৪ হাজার ইভিএম (EVM) নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
  • শুক্রবার এই ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের হয়।

Kolkata Police Forms SIT: আলিপুরের সরকারি বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করল কলকাতা পুলিশ। রাজ্যের দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরীর দাবি, আগুনে প্রায় ৪ হাজার ইভিএম (EVM) নষ্ট হয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আগুন লাগার বিষয়টি 'সন্দেহজনক' বলেও উল্লেখ করেন।

শুক্রবার এই ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের হয়। তারপরেই তদন্তের স্বার্থে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখবে SIT।

দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, যে ফ্লোরে আগুন লাগে সেখানে ভোটগ্রহণ সংক্রান্ত জিনিসপত্র রাখা ছিল। তাঁর দাবি, বিল্ডিংয়ের নয় এবং দশ তলায় নির্বাচন সংক্রান্ত অফিস ছিল। এই একই বিল্ডিংয়ে সর্বশিক্ষা মিশন, মিড-ডে মিল এবং হর্টিকালচার ডিপার্টমেন্টেরও অফিস।

কৌশিক চৌধুরী বলেন, আগুন লাগার বিষয়টি অত্যন্ত সন্দেহজনক। তাঁর দাবি, অগ্নিকাণ্ডে ১০টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ৪ হাজার ইভিএম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী টিমে সাউথ ডিভিশনের সহকারী পুলিশ কমিশনার সুখেন্দু মুখোপাধ্যায়, গোয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেক্টর হীরক দলপতি, গোয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেক্টর অর্পণ দাস এবং আলিপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর সুমন ঘোষ রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, আগুনের উৎস, কীভাবে আগুন ছড়াল এবং সরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে তদন্ত চালাবে SIT। বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শী এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, আলিপুরের সরকারি বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার খবর পেতেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইভিএম-এর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বিধানসভা ভোটের রেশ এখনও কাটেনি। রাজ্যে সবে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। সেই আবহে ইভিএম নষ্ট হওয়ার দাবিতে রীতিমতো তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তদন্তকারী দল এখন কী তথ্য সামনে আনে, সেদিকেই নজর প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলের। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement