Advertisement

Dr Debanjan Banerjee: বিশ্বের সেরা ২% বিজ্ঞানীর তালিকায় ফের কলকাতার দেবাঞ্জন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি

ডা: দেবাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আমার সবথেকে ভাল লাগার জায়গা হল, যেটা আমি লিখেছি বা যেটা নিয়ে আমি কাজ করেছি, সেটা যদি অন্যদেরও নতুন আইডিয়া বা গবেষণার নতুন দিক দেখায়, সেটা খুবই বড় প্রাপ্তি। কারণ, আমি চাই আমার যাঁরা জুনিয়র রয়েছেন বা সবকর্মী রয়েছেন, তাঁরাও এইরকম ভাবেই ভাবুক। কারণ, আমাদের ভারতে মানসিক স্বাস্থ্যের পরিষেবার ঘাটতি আছে।'

সেরার সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ডা: দেবাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় (ছবি: ফেসবুর @ Debanjan Banerjee)সেরার সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ডা: দেবাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় (ছবি: ফেসবুর @ Debanjan Banerjee)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Oct 2026,
  • अपडेटेड 2:32 PM IST
  • আমি লিখেছি বা যেটা নিয়ে আমি কাজ করেছি, সেটা যদি অন্যদেরও নতুন আইডিয়া বা গবেষণার নতুন দিক দেখায়
  • আমি চাই আমার যাঁরা জুনিয়র রয়েছেন বা সবকর্মী রয়েছেন, তাঁরাও এইরকম ভাবেই ভাবুক
  • কারণ আমাদের ভারতে মানসিক স্বাস্থ্যের পরিষেবার ঘাটতি আছে

বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের জায়গা করে নিলেন কলকাতার বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: দেবাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পরপর দুই বছর এই তালিকায় জায়গা পেলেন। আর তাতেই রাজ্যের চিকিৎসক মহলে আনন্দের হাওয়া।

আসলে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ার প্রকাশনা সংস্থা ২০২৬ সালে নতুন করে সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানেই ফের জায়গা পেয়েছেন দেবাঞ্জন। চলতি বছরে দেশের মোট ১৫ জন সাইকিয়াট্রিস্ট এই বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছেন। আর তাঁদের মধ্যে একজন হলেন ডা: বন্দ্যোপাধ্যায়। 

কীভাবে তৈরি করা হয় এই তালিকা? 
প্রতি বছর নিয়ম করে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। এই বছরও তেমনটাই হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণারতদের কাজের প্রভাব ও গুরুত্ব খতিয়ে দেখা হয়। তারপরই তৈরি করা হয় তালিকা। চলতি বলছে বিজ্ঞানের ২২টি প্রধান ক্ষেত্রে এবং ১৭৪টি উপক্ষেত্রে গবেষণারত গবেষকদের কাজ বিবেচনা করা হয়। দেখা হয়েছে, কোন কোন গবেষকদের কাজের প্রভাব রয়েছে, কাজের গুরুত্ব ঠিক কতটা ইত্যাদি বিষয়গুলি। তারপরই প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের তালিকা। আর সেই লিস্টে নাম রয়েছে কলকাতার দেবাঞ্জনেরও।

কী নিয়ে কাজ করেন দেবাঞ্জন?
পেশায় সাইকিয়াট্রিস্ট দেবাঞ্জন। তিনি বর্তমানে কলকাতার একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। তিনি নানা ধরনের মানসিক সমস্যা নিয়ে কাজ করেন। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত মানসিক স্বাস্থ্য, সেক্সুয়াল হেলথ এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ভুল তথ্য নিয়ে কাজ করেন।

এই তালিকায় জায়গা পাওয়ার পর দেবাঞ্জন আমাদের বলেন, 'পরপর দুইবার এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভাল তো লাগছেই। লাগারই কথা। এটা একটা গর্বের বিষয়ও। কিন্তু যখন কেউ মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে বা গবেষণা করে, তখন এই জিনিসগুলোর কথা মাথায় রাখা হয় না। এটা পথে চলতে চলতে চলে আসে।'

দেবাঞ্জনের মতে, তাঁর যে কাজগুলো যে রিসার্চ পেপার রয়েছে, সেটা বাকিদের কতটা কাজে লাগে, সেটাই তিনি দেখতে চান। তিনি বলেন, 'আমার সবথেকে ভাল লাগার জায়গা হল, যেটা আমি লিখেছি বা যেটা নিয়ে আমি কাজ করেছি, সেটা যদি অন্যদেরও নতুন আইডিয়া বা গবেষণার নতুন দিক দেখায়, সেটা খুবই বড় প্রাপ্তি। কারণ, আমি চাই আমার যাঁরা জুনিয়র রয়েছেন বা সবকর্মী রয়েছেন, তাঁরাও এইরকম ভাবেই ভাবুক। কারণ, আমাদের ভারতে মানসিক স্বাস্থ্যের পরিষেবার ঘাটতি আছে।'

Advertisement

তিনি জানান, একটা রিসার্চ পেপার একদিনে লেখা হয় না। সেটার পেছনে অনেক চিন্তা-ভাবনা, অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। তাই এই ধরনের স্বীকৃতি অবশ্যই ভাল লেগেছে। 

তিনি বলেন, 'ইনস্টিটিউটের যে অবদান, যে রোগীদের ওপরে ধরুন গবেষণা করা হয়েছে, তাঁদের যে অবদান, আমার ফ্যামিলির যে অবদান, সবকটাই স্বীকৃতি পেয়েছে।'
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement