
'তিলক মোছা' বিতর্কে কলকাতায় সাসপেন্ড শিক্ষিকা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপের পরেই সাসপেন্ড করা হল বেসরকারি মিশনারি স্কুলের এই শিক্ষিকাকে। অভিযোগ, বারবার তিনি এক পডুয়ার কপালে থাকা চন্দনের তিলক মুছে দিয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে FIR-ও।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ওই ভিডিওতে পড়ুয়া অভিযোগ করেন, স্কুলে ঢোকার আগে এক শিক্ষিকা তাঁর কপালে লাগানো তিলক বারবার মুছে দিতেন। পরবর্তীতে ভিডিওটি ভাইরাল হতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগটি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসার পর প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখে ও ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী নিজেই জানান, ভিডিওতে তিনি ওই শিক্ষিকাকে পড়ুয়ার কপাল থেকে তিলক মুছে দিতে দেখেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করারও নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে শিক্ষা দফতরের এক কর্মীকেও সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠকে অধিকারী বলেন, "সরকারি কর্মীদের তরফে প্রধানমন্ত্রী বা কোনও সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘অবমাননাকর মন্তব্য’ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারি কর্মীদের নির্ধারিত আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা এবং সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"