Advertisement

অফিস শুদ্ধিকরণ করেছিল ABVP, সুরেন্দ্রনাথের সেই VC বলছেন, তিনি পদ ছাড়েননি

Surendranath law college: কলকাতা সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুম-কে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। পদত্যাগ করার পরেও পদেই থাকছেন বলে জানিয়ে দিলেন এই উপাধ্যক্ষ।

ইস্তফা দিয়েও পদে থাকার কথা জানালেন ভাইস প্রিন্সিপাল মহম্মদি তরন্নুমইস্তফা দিয়েও পদে থাকার কথা জানালেন ভাইস প্রিন্সিপাল মহম্মদি তরন্নুম
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Sep 2026,
  • अपडेटेड 11:04 AM IST
  • ফের বিতর্কের শিরোনামে কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজ।
  • গত কয়েকদিন ধরেই যাবতীয় বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুম।
  • উপাধ্যক্ষের দাবি, জোর করে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়া হয় পদত্যাগ পত্রে।

ফের বিতর্কের শিরোনামে কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজ।  গত কয়েকদিন ধরেই যাবতীয় বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুম। তাঁর পদত্যাগ ঘিরেই চলছে শোরগোল। উপাধ্যক্ষের দাবি, জোর করে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়া হয় পদত্যাগ পত্রে। আর সেই কারণেই পদ ছাড়তে নারাজ তিনি।

বিতর্ক কেন?

ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে মূলত কলেজের উপস্থিতি সংক্রান্ত একটি নোটিশকে কেন্দ্র করে। নোটিশে বলা হয়েছিল, সেমিস্টার পরীক্ষায় বসতে হলে শিক্ষার্থীদের অন্তত ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি থাকতে হবে। আর এই নিয়েই তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়। 

বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে মহম্মদি তরন্নুমের সঙ্গে ব্যাপক কথা কাটাকাটি শুরু হয় পড়ুয়াদের। এরপরেই উপাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয় আন্দোলনকারীরা। ড. তরান্নুম অভিযোগ করেন, টানা ঘেরাওয়ের সময় তাঁকে নিজের ঘরেই আটকে রাখা হয়েছিল এবং লাইট-ফ্যান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাঁকে জলও খেতে দেওয়া হয়নি। যদিও পড়ুয়ারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তরান্নুম জানিয়েছেন, তাঁকে ইস্তফাপত্রে সই করতে বাধ্য করা হয়। তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি। তাই তিনি কলেজে তাঁর দায়িত্ব পালন করে যাবেন। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মহম্মদি তরন্নুমের পদত্যাগপত্র তিনি পাননি।

কে এই মহম্মদি তরন্নুম?

তিনি সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের উপাধ্যক্ষ এবং বর্তমানে বিতর্কের শিরোনামে রয়েছেন। তবে, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতাও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। তিনি আইনে উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেছেন। সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তাঁর প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি এলএল.বি., এলএল.এম. এবং পিএইচ.ডি. (আইন) ডিগ্রীধারী। 

পদত্যাগের পরেই অফিস পরিশোধন করা হয়

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে চলা বিক্ষোভের পর উপাধ্যক্ষের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ে। আর এরপরেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর ছাত্ররা এটিকে একটি বড় বিজয় হিসেবে স্বাগত জানায়। তারা গঙ্গা জল দিয়ে উপাধ্যক্ষের কার্যালয় শুদ্ধ করে। তাঁদের দাবি ছিল, গঙ্গাজল দিয়ে শুদ্ধ করে তৃণমূল আমলের চিহ্ন মুছে ফেলা হল।

Advertisement

তবে, পুরো ঘটনাটি নতুন মোড় নেয় কারণ, উপাধ্যক্ষ মহাম্মদি তারান্নুম কলেজ ছাড়ার সময় তাঁর পদত্যাগের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি দাবি ককরেন, তিনি  মোটেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি, বরং তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। আর এবার, উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ও এই বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি তরন্নুমের কোনও পদত্যাগপত্র পাননি।   
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement