Advertisement

Kolkata Sweet Shops: রসগোল্লা সহ সব মিষ্টির দাম বাড়তে চলেছে, কত শতাংশ? নামী মিষ্টির দোকানগুলি যা জানাল

কেজি প্রতি পৌঁছে গিয়েছে ৬৫ থেকে ৭০। যা এক ধাক্কায় প্রায় ২০ টাকা বেশি। ফলস্বরূপ সমস্যায় পড়েছেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। কলকাতার জনপ্রিয় দুই মিষ্টির দোকানের বক্তব্য, তাদের রাতারাতি মিষ্টির দাম বাড়িয়ে দেওয়া ছাড়া কোনও উপায় নেই।

কলকাতায় বাড়তে চলেছে মিষ্টির দাম কলকাতায় বাড়তে চলেছে মিষ্টির দাম
রূপসা ঘোষাল
  • কলকাতা ,
  • 24 Aug 2026,
  • अपडेटेड 5:53 PM IST
  • রসগোল্লা, ক্ষীরকদম কিনতে গিয়ে এবার পকেটে চাপ
  • বাড়তে চলেছে মিষ্টির দাম
  • জানিয়ে দিল মিষ্টির দোকানগুলি

হু হু করে বেড়েছে চিনির দাম। কেজি প্রতি পৌঁছে গিয়েছে ৬৫ থেকে ৭০। যা এক ধাক্কায় প্রায় ২০ টাকা বেশি। এর আগেই বেড়েছে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম। এমনকী মহার্ঘ ভোজ্য তেল এবং ছানাও। ফলস্বরূপ পুজোর আগে রাতারাতি মিষ্টির দাম বৃদ্ধিরও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে আপনার প্রিয় রসগোল্লা, পান্তুয়া, সন্দেশ কিংবা ল্যাংচা কিনতে পকেট টান পড়তে পারে খুব শীঘ্রই।

অতিথি আপ্যায়ন হোক কিংবা খাবার পর শেষ পাতে, অনেক বাঙালি বাড়িতেই রোজ মিষ্টি ছাড়া চলে না। কিন্তু প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানগুলি জানাচ্ছে, যে ভাবে উপকরণের দাম বাড়ছে, তাতে মিষ্টির দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই। 

bangla.aajtak.in-কে ভবানীপুরের বলরাম মল্লিক ও রাধারমন মল্লিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক চন্দন হাজরা বলেন, 'আমাদের ১০ কুইন্টাল চিনি লাগে ৩-৪ দিনের মিষ্টি তৈরির জন্য। সেক্ষেত্রে ৬০-৭০ শতাংশ দাম বেড়ে গিয়েছে চিনির, যা অনেকটাই বেশি। চিনি মিষ্টি তৈরির অন্যতম মূল উপকরণ। ফলে কর্তৃপক্ষ এই নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং আলোচনা চালাচ্ছে। দাম বাড়ানো ছাড়া হয়তো অন্য কোনও উপায় নেই।' এই মুহূর্তে বলরাম মল্লিক এবং রাধারমন মল্লিকে সবচেয়ে ন্যূনতম ২০ টাকা দামের রসগোল্লা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ২৫ টাকা পিসের সন্দেশ। এত কমে হয়তো আর মিষ্টি মিলবে না চিনির দাম না কমলে। এমনটাই মনে করছে এই প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান। 

বলরাম মল্লিক রাধারমন মল্লিকের মিষ্টি

অন্যদিকে, গুপ্তা ব্রাদার্সের কর্ণধার গজেন্দ্র গুপ্তা বলেন, 'এক কিলো চিনির দাম ২৫ টাকা বেড়ে গিয়েছে। ৪৫ টাকার চিনি যদি ৭০ টাকা হয় তাহলে মিষ্টির দাম তো বাড়াতেই হবে।' প্রতিদিন এলগিন রোডের ব্রাঞ্চে লাগে ৫০০ কেজি চিনি, আর সমস্ত ব্রাঞ্চ মিলিয়ে লাগে ৯ হাজার কিলো চিনি। গজেন্দ্র গুপ্তা বলেন, '১০ শতাংশ করে প্রতিটি মিষ্টিতে দাম তো বাড়াতেই হবে। এই মুহূর্তে ন্যূনতম ১৫ টাকায় বরফি, ক্ষীরকদম, গুলাবজাম বিক্রি করতে পারি আমরা। সেগুলি কমপক্ষে সাড়ে ১৬ টাকা করতেই হবে। প্রতিটি মিষ্টির ক্ষেত্রেই দেড় থেকে দু'টাকা বাড়াতেই হবে, তা হলে ব্যবসা করা সম্ভব হবে না।'

Advertisement

মাথায় হাত পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ের ল্যাংচা ব্যবসায়ীদেরও। উৎপাদন খরচ বাড়তে থাকায় টান পড়েছে ঐতিহ্যে। এই ল্যাংচা তৈরির প্রধান উপকরণ চিনি। শক্তিগড়ে ল্যাংচার দাম শুরু হয় ৭ টাকা। এরপর রয়েছে ১০, ১৫, ২০ টাকা ল্যাংচা। ল্যাংচার দাম বাড়ানো হবে না মিষ্টির আকার থোট করে দেওয়া হবে তা নিয়েই দোটনায় ব্যবসায়ীরা।  ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ ও ল্যাংচা হাবের সামনে উড়ালপুল তৈরি হওয়ায় মিষ্টি দোকানগুলির সামনে আগের মতো গাড়ি দাঁড়ানোর সুযোগ কমেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এর জেরে কমেছে ক্রেতার আনাগোনাও।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement