Advertisement

Kolkata Traffic: একদিকে আশা কর্মী, আরেক দিকে ISF, কলকাতা স্তব্ধ, রাস্তায় চরম নাজেহাল

একই দিনে দু’টি বড় কর্মসূচির জেরে বুধবার কার্যত অচল হয়ে পড়ল কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। সকাল থেকেই তীব্র যানজটের চাপে নাজেহাল হন অফিসযাত্রী ও নিত্যযাত্রীরা। একদিকে আশা কর্মীদের স্বাস্থ্যভবন অভিযান, অন্যদিকে শহিদ মিনার চত্বরে আইএসএফ-এর কর্মসূচি, এই দুই আন্দোলন মিলিয়ে শহরের স্বাভাবিক যান চলাচল প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়।

কলকাতার যানজট -- ফাইল ছবিকলকাতার যানজট -- ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Jan 2026,
  • अपडेटेड 3:21 PM IST
  • একই দিনে দু’টি বড় কর্মসূচির জেরে বুধবার কার্যত অচল হয়ে পড়ল কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা।
  • সকাল থেকেই তীব্র যানজটের চাপে নাজেহাল হন অফিসযাত্রী ও নিত্যযাত্রীরা।

একই দিনে দু’টি বড় কর্মসূচির জেরে বুধবার কার্যত অচল হয়ে পড়ল কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। সকাল থেকেই তীব্র যানজটের চাপে নাজেহাল হন অফিসযাত্রী ও নিত্যযাত্রীরা। একদিকে আশা কর্মীদের স্বাস্থ্যভবন অভিযান, অন্যদিকে শহিদ মিনার চত্বরে আইএসএফ-এর কর্মসূচি, এই দুই আন্দোলন মিলিয়ে শহরের স্বাভাবিক যান চলাচল প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়।

শহরের পূর্ব প্রান্ত থেকে মধ্য কলকাতা, প্রায় সর্বত্রই ছিল ভিড় ও ধীরগতির সমস্যা। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ, নিউটাউন, এজেসি বোস রোড, এসএন ব্যানার্জি রোড-সহ বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলেছে হামাগুড়ি দিয়ে। সেক্টর ফাইভে ঢোকার মুখে নিকো পার্কের কাছে গাড়ির গতি হঠাৎ কমে যায়। সেখান থেকেই যানজট ধীরে ধীরে চিংড়িঘাটা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। বহু অফিসযাত্রী অভিযোগ করেন, সায়েন্স সিটি মোড়ে স্বাভাবিক দিনের তুলনায় অনেক বেশি সময় সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।

চিংড়িঘাটা থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পুরো রাস্তাজুড়ে দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে পড়ে বাস, গাড়ি ও অটো। ফলে অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে পৌঁছতে পারেননি। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে মাঝপথেই নেমে হেঁটেই গন্তব্যে পৌঁছন।

মধ্য কলকাতাতেও পরিস্থিতি ছিল প্রায় একই রকম। শহিদ মিনারে আইএসএফ-এর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধর্মতলা চত্বর, এজেসি বোস রোড ও এসএন ব্যানার্জি রোডে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। কর্মসূচিতে যোগ দিতে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে বহু সমর্থক বাস ও ট্রাকে করে শহরে আসেন। এর জেরে সায়েন্স সিটি মোড়, তপসিয়া ও পার্ক সার্কাস এলাকাতেও যানজট আরও তীব্র হয়।

একই সঙ্গে আশা কর্মীদের আন্দোলনের কারণে একাধিক রাস্তায় পুলিশ ব্যারিকেড বসানো হয়। ফলে বিকল্প পথগুলিতেও চাপ বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাফিক পুলিশকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। যদিও ধাপে ধাপে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হয়, ততক্ষণে সকাল ও দুপুরের গুরুত্বপূর্ণ সময় কার্যত নষ্ট হয়ে যায় বহু মানুষের।

Advertisement

দু’টি কর্মসূচিই পূর্বঘোষিত হলেও, একই দিনে ও প্রায় একই সময়ে হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কয়েক গুণ বেড়ে যায় বলে মত শহরবাসীর একাংশের। তাঁদের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মসূচির ক্ষেত্রে প্রশাসনের আরও সমন্বয় ও পরিকল্পনা প্রয়োজন, যাতে আন্দোলনের অধিকার বজায় থাকলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত না হয়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement