
পূর্বাভাস সত্যি করেই বৃষ্টিতে ভিজল শহর কলকাতা। পাশাপাশি ব্যাপক বৃষ্টির সাক্ষী রইল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। ভোর রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব দিকের জেলাগুলিতে। সকাল ৬টার পরেও জেলায় জেলায় আকাশ মেঘলা। অন্যদিকে, শহর কলকাতায় ভোর সাড়ে ৪টের পর থেকেই শুরু হয় কার্যত মুষলধারে বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতও। যদিও ৩০-৪০ মিনিট পরেই বৃষ্টি থেমে যায়।
আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা
কলকাতায় আকাশের মুখ রয়েছে থমথমে ফলে আবার বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। জেলার ক্ষেত্রেও অবস্থা একই। আগামী ২-৩ ঘণ্টায় একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আগামী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টিতে ভিজতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সঙ্গী হতে পারে বজ্র বিদ্যুৎও।
কেন বসন্তের শুরুতে বৃষ্টি?
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল। তার প্রভাবেই রাজ্যে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। IMD-র দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ-মঙ্গলবার বিকেলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমানের মতো জেলাগুলিতে। তবে তারপর আগামীকাল, বুধবার থেকে বৃষ্টির খুব বেশি সম্ভাবনা নেই।
রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা বেড়েছে
বাংলা জুড়েই তাপমাত্রা বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের কল্যাণী ও পুরুলিয়াতে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩.৩ ডিগ্রি। কলকাতার আলিপুরে আবার সর্বাধিক তাপমাত্রা পার করে ফেলেছে ২০ ডিগ্রির মাত্রা। সোমবার আলিপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগে যে ভাবে দক্ষিণবঙ্গে রাত ও দিনের তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে আগামী দিনে তীব্র গরম পড়তে চলেছে বলেই আশঙ্কা সকলের। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, দিনের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।