Advertisement

সোনিয়াকে চিঠি বঙ্কিমচন্দ্রের পরিবারের, 'এক সম্প্রদায়কে খুশি করার চেষ্টা কংগ্রেসের'; দাবি শুভেন্দুর

স্বাধীনতা দিবসের দিন দিল্লিতে কংগ্রেস কার্যালয়ে 'বন্দে মাতরম' বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পুরো বন্দে মাতরম গাইতে বাধা দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী, এমনই অভিযোগ করেছে বিজেপি। যদিও নেত্রী খাড়গের জন্য চেয়ার খুঁজছিলেন, পাল্টা বক্তব্য রেখেছেন জয়রাম রমেশ। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামনে আসার পর বিজেপির অভিযোগ, জাতীয় সঙ্গীত নয়, জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ পুরোটা গাওয়া বা বাজানো নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।

   'বন্দে মাতরম' বিতর্কে আসরে রাজ্য সরকার 'বন্দে মাতরম' বিতর্কে আসরে রাজ্য সরকার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Aug 2026,
  • अपडेटेड 3:48 PM IST

 'বন্দে মাতরম'কে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্ট হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই ইস্যুতে কংগ্রেস হাইকমান্ডের উপর সরাসরি আক্রমণ করেছেন। চিতোরগড় জেলার নিমবাহেরায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, স্বাধীনতা দিবসে দিল্লিতে কংগ্রেস সদর দফতরে জাতীয় সঙ্গীত 'বন্দে মাতরম' গাওয়ার সময় সোনিয়া গান্ধী বাধা দিয়েছিলেন। তিনি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে গান থামাতে বলেন। শাহ বলেন, টিভিতে এই দৃশ্য দেখে পুরো দেশ হতবাক হয়ে গিয়েছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস দলের যদি কোনও লজ্জা থাকে, তবে সোনিয়া গান্ধীর উচিত অবিলম্বে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর আত্মা এবং দেশের ১৪০ কোটি মানুষের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাওয়া। এই নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। 

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসের দিন দিল্লিতে কংগ্রেস কার্যালয়ে 'বন্দে মাতরম' বিতর্ক শুরু হয়েছে।  স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পুরো বন্দে মাতরম গাইতে বাধা দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী, এমনই অভিযোগ করেছে বিজেপি। যদিও নেত্রী খাড়গের জন্য চেয়ার খুঁজছিলেন, পাল্টা বক্তব্য রেখেছেন জয়রাম রমেশ।   অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামনে আসার পর বিজেপির অভিযোগ, জাতীয় সঙ্গীত নয়, জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ পুরোটা গাওয়া বা বাজানো নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। ভিডিওতে সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং পরে রাহুল গান্ধীর কিছু ভঙ্গি নিয়েই শুরু হয়েছে এই বিতর্ক। এই নিয়ে রবিবার দুপুরে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। পুরো বন্দে মাতরম গাওয়ায় সোনিয়া গান্ধির বিরক্তি সবাই দেখেছে, কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। বিশেষ ভোট ব্যাঙ্ককে সন্তুষ্ট করতেই এমনটা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন,  এই বিষয়ে কংগ্রেস হাইকমান্ডের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

এদিকে  'বন্দে মাতরম' বিতর্কে  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বংশধর তথা বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখেছেন।  সোনিয়া গান্ধীকে লেখা চিঠি প্রসঙ্গে  নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক তথা  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বংশধর সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, 'তাঁর কাজ সত্যিই লজ্জাজনক ছিল। এটা দেশের প্রতি অপমান। সমগ্র ভারত এবং বাঙালি সম্প্রদায়ের প্রতি অপমান... আমার পুরো পরিবার কষ্ট পেয়েছে... আমার মনে হচ্ছে, এতদিন ভারতে থেকেও সোনিয়া গান্ধী তাঁর ইতালিয় সংস্কৃতি ভোলেননি... আমি সরাসরি সোনিয়া গান্ধীকে একটি ইমেল পাঠিয়েছি এবং তাতে মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ট্যাগ করেছি। দেখা যাক তাঁরা বিষয়টা বোঝেন কি না... না, আমি ভারতের রাষ্ট্রপতিকে ইমেল করিনি, বা অন্য কোনও কর্মকর্তাকেও ইমেল করিনি। আমি দায়ী ব্যক্তিকে ইমেল করেছি এবং তাঁর দলের প্রধানকে একটি অনুলিপি পাঠিয়েছি...।' এই ঘটনায় সোনিয়া গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি করেছেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়।
 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement