Advertisement

Mamata Banerjee Slapped Worker: মমতার হাতে চড় খাওয়া সেই ব্যক্তি আসলে কে? পরিচয় জানলে অবাক হবেন

কালীঘাটে তাঁর বাসভবনের বাইরে তখন চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। আচমকাই মেজাজ হারিয়ে সপাটে চড় কষালেন এক ব্যক্তিকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাকে চড় মেরেছিলেন? ঠিক কী ঘটেছিল সে সময়ে?

কেন চড় মারলেন মমতা? কেন চড় মারলেন মমতা?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 09 Jul 2026,
  • अपडेटेड 2:34 PM IST
  • মেজাজ হারিয়ে সপাটে চড় কষালেন মমতা
  • কাকে চড় মেরেছিলেন মমতা?
  • ঠিক কী ঘটেছিল সে সময়ে?

কালীঘাটে তাঁর বাসভবনের বাইরে তখন চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। উপস্থিত প্রচুর দলীয় নেতা-কর্মী, ছাত্র-যুবরা। স্থানীয়রাও রয়েছেন কেউ কেউ। নিজেই সকলকে সরিয়ে গাড়ি যাওয়ার প্যাসেজ করার চেষ্টা করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেখে মনে হচ্ছিল, মেজাজ সপ্তমে। আচমকাই এক মাঝবয়সী ব্যক্তিকে সপাটে চড় কষালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। চোখ থেকে চশমা খুলে পড়ে যায় ওই ব্যক্তির। কোনওমতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে এনে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করেন। কে এই ব্যক্তি? কিন্তু কেন তাঁকে চড় মারলেন নেত্রী?

দলীয় সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তির নাম বাপি। তাঁর বাড়ি কালীঘাটেই, নেত্রীর বাড়ির খুব কাছে। ৫৩ অথবা ৫৪ নম্বর হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট তাঁর বাড়ির ঠিকানা। পেশায় রেলের কর্মী ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন তৃণমূল করেন। বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রয়েছেন। এমনকী, দলের দুর্দিনেও প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। স্থানীয়রা বলছেন এমনটাই। তা সত্ত্বেও কেন তাঁকে মারলেন মমতা? 

প্রাক্তন কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও ওই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন। তাঁর বক্তব্য, 'এভাবে ন্যারেটিভ তৈরি করে তো লাভ নেই। ওটা কোনও ঘটনাই নয়। কারও বাড়িতে বাবা-মা কি শাসন করেন না? সেভাবেই উনিও দলের কর্মীকে শাসন করেছেন। এটা নিয়ে খবর হবে কেন?'

কুণাল ঘোষও বলেন, 'মা যেভাবে শাসন করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেভাবেই দলের কর্মীকে শাসন করেছেন। এক সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি বের করতে সমস্যা হওয়ার জন্য যদি আর এক সন্তানকে মা মারেনও তাহলে বেশ করেছেন।'

 তবে কেবলমাত্র ওই বাপি নামে জনৈক কর্মীই নন, বুধবার বিকেলে ভিড় সামলানোর সময় একাধিক ব্যক্তিও মমতার মার খেলেন। তবে তাঁরা কিল, ঘুঁষি খেলেন পিঠে। 

বুধবারের মিছিলের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি চেয়েছিলেন মমতাপন্থী তৃণমূলেরা। বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে শুরু করে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিলের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল আড়াই ঘণ্টা। তবে মিছিলের শুরুতেই উত্তেজনা শুরু হয়। মমতার অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতে গুন্ডাদের দিয়ে তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালায় BJP। মহিলারাও ছাড় পাননি। ইট-ডিম পড়েছে রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেনের গায়ে। মার খেয়েছেন আইটি সেলের কোর কমিটির নেত্রী উপাসনা চৌধুরী। জখম মহিলা এবং পুরুষ কর্মীদের হাসপাতালে পাঠানোর জন্য নেতাদের গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল। কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। ভিড়-বিশৃঙ্খলা সামলাতে হ্যান্ডমাইক নিয়ে হাঁক দেন মমতা। আহতদের গাড়িতে তোলার জন্য লাইন করে দেওয়া হয়। তার মধ্যে মমতা বলতে থাকেন, ‘‘ভিড় কোরো না। সরে যাও... সরে যাও, রাস্তা ছাড়ো।'

Advertisement

ওই সময় উপাসনার পাশে ভিড় সামলাতে দেখা যায় কমলা-সাদা চেক টিশার্ট, চোখে চশমা পরিহিত এক ব্যক্তিকে। প্রথমে তাঁকে হাত নেড়ে পিছনে যেতে বলেন। তারপরই সপাটে চড় কষিয়ে দেন তাঁর গালে। ভারসাম্য হারাতে হারাতে কোনওমতে বাঁচেন তিনি। চশমা খুলে পড়ে যায় তাঁর। তারপর তিনি গাড়ির কাছে চলে যান। সেখানে আহতদের গাড়িতে তুলতে দেখা যায় তাঁকে। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেজাজ গরম করে দলীয় কর্মীকে চড় মারা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী বলেন, 'মাননীয়ার তার কেটে গিয়েছে।' মন্ত্রী বলেন, 'তোমরাও তো খেলা হবে গান চালাতে। আমরা কিছু বলেছি? জিতেছি একটু নাচব না? তোমার বিছানায় গিয়ে তো নাচিনি। দরকার হলে সেটাও করব।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement