Advertisement

চিৎপুরের কেমিক্যাল প্লান্টে ভয়াবহ আগুন, আশপাশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

রবিবার ছুটির দিন ফের শহরে ভয়াবহ আগুন। এদিন দুপুর ১২টার দিকে চিৎপুরের নবাবপট্টি এলাকায় একটি কেমিক্যাল প্লান্টে আগুন লাগে। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে নিয়োজিত থাকলেও এখনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুনের গ্রাসে আরও বেশ কয়েকটি কারখানা বলে জানা যাচ্ছে।

চিৎপুরের কেমিক্যাল প্লান্টে ভয়াবহ আগুনচিৎপুরের কেমিক্যাল প্লান্টে ভয়াবহ আগুন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Sep 2026,
  • अपडेटेड 2:09 PM IST


রবিবার ছুটির দিন ফের শহরে ভয়াবহ আগুন। এদিন দুপুর ১২টার দিকে চিৎপুরের নবাবপট্টি এলাকায় একটি কেমিক্যাল প্লান্টে আগুন লাগে। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে নিয়োজিত থাকলেও এখনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।  আগুনের গ্রাসে আরও বেশ কয়েকটি কারখানা বলে জানা যাচ্ছে। 

ঘটনাস্থলে  প্রাথমিকভাবে দমকলের ৫ টি ইঞ্জিন গেলেও পরে তা আরও বাড়তে থাকে। বর্তমানে  ১০ টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করছে বলে খবর। আগুনের জেরে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ছে। 

অগ্নিকাণ্ডের জেরে ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। ঘিঞ্জি বসতি ও একের পর এক কারখানা থাকায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা নিয়ে তৈরি হয় বড়সড় চ্যালেঞ্জ। জানা যাচ্ছে, রবিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ চিৎপুরের নবাবপল্লি এলাকার একটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাসায়নিক কারখানায় আগুন লাগে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। কারখানা থেকে বেরিয়ে আসা আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের কয়েকটি কারখানাতেও। পরিস্থিতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দমকলকর্মীদের আগুন নেভানোর কাজে যথেষ্ট সমস্যায় পড়তে হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে  ইঞ্জিনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কী কারণে এত বড় অগ্নিকাণ্ড, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকলের তরফে এখনও আগুন লাগার নির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে কারখানায় শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

নবাবপল্লি এলাকায় কারখানার পাশাপাশি বসতিও রয়েছে। ফলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন কাশীপুর-বেলগাছিয়ার বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি। তিনি বলেন, কারখানাটি দোতলা। একতলায় ছিল রাসায়নিকের গোডাউন এবং দোতলায় জামাকাপড়ের গুদাম। কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় পুলিশ এফআইআরও দায়ের করেছে। তাঁর কথায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ধোঁয়া রয়েছে। সেই কারণেই আগুনের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ বলে মনে হচ্ছে। এই ঘটনায়, এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement