Advertisement

'ভুয়ো বন্ধুদের থেকে সাবধান', TMC-র সঙ্কটে হঠাৎ BJP কর্মীদের কেন সতর্ক করলেন মন্ত্রী স্বপন?

স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমস্যার প্রতি তাঁর বিশেষ সহানুভূতি নেই, কারণ এটি দলটির নিজস্ব রাজনৈতিক সংস্কৃতির ফল। তবে পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলবদল করতে আগ্রহী নেতাদের বিষয়ে বিজেপিকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

স্বপন দাশগুপ্ত স্বপন দাশগুপ্ত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Jun 2026,
  • अपडेटेड 4:08 PM IST
  • রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সঙ্কটে পড়েছে
  • এই পরিস্থিতিতে নিজের দলকেই সতর্ক করলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত

রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সঙ্কটে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজের দলকেই সতর্ক করলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তৃণমূল কংগ্রেসের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ সঙ্কট নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি জানান, এখন অনেকে বিজেপির কাছে আশ্রয় চাইতে আসতে পারেন। সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে দলকে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করেন দলেরই ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ক। এই নজিরবিহীন বিভাজনের প্রেক্ষাপটে স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, বিজেপিকে এমন সুযোগসন্ধানী দলত্যাগীদের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের মঞ্চ হতে দেওয়া উচিত নয়।

তিনি বলেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমস্যার প্রতি তাঁর বিশেষ সহানুভূতি নেই, কারণ এটি দলটির নিজস্ব রাজনৈতিক সংস্কৃতির ফল। তবে পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলবদল করতে আগ্রহী নেতাদের বিষয়ে বিজেপিকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

স্বপন দাশগুপ্ত সতর্ক করে বলেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের দলে নিলে তৃণমূলের সহিংসতা, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক ভয়ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতিও বিজেপির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, 'আজ যারা নিজেদের অতীতের পাপ ধুয়ে ফেলতে আমাদের ঘনিষ্ঠ হতে চাইছে, সেই ভুয়ো বন্ধুদের সম্পর্কে বিজেপিকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে।' তিনি আরও বলেন, রাজ্যে বিজেপির বিপুল জয় এলেও তা যেন দলের মূল আদর্শ ও নীতির সঙ্গে আপস করে না হয়।

সঙ্কটে TMC 

স্বপন দাশগুপ্তের এই মন্তব্য এমন সময় করেন যখন তৃণমূল কংগ্রেস  অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের মুখে পড়েছে। দলের রাশ নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র হাতে। তাঁকে দলনেত্রীর বদলে এখন পরামর্শদাতা হওয়ার আবেদন করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা।  

এই বিদ্রোহী শিবির আখরুজ্জামানকে মুখ্য সচেতক (চিফ হুইপ) হিসেবে প্রস্তাব করেছে। পাশাপাশি জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন এবং শিউলি সাহাকে বিধানসভায় উপনেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement