Advertisement

Food License Suspend: বড় বিরিয়ানির দোকান সহ কলকাতায় ৪০টি রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড, ঘোষণা পুর কমিশনারের

প্রায় ৪০টি নামী রেস্তোরাঁর ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড। এমনটাই জানালেন পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে। অর্থাৎ পুজোর আগেই প্রায় ৪০টি রেস্তোরাঁর ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন স্মিতা পান্ডে।

মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন স্মিতা পান্ডে। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন স্মিতা পান্ডে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 08 Sep 2026,
  • अपडेटेड 9:34 PM IST
  • প্রায় ৪০টি নামী রেস্তোরাঁর ফুড লাইসেন্স বাতিল।
  • এমনটাই জানালেন পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে।
  • মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন স্মিতা পান্ডে।

প্রায় ৪০টি নামী রেস্তোরাঁর ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড। এমনটাই জানালেন পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে। অর্থাৎ পুজোর আগেই প্রায় ৪০টি রেস্তোরাঁর ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড হতে চলেছে। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন স্মিতা পান্ডে। সেখানেই এ বিষয়ে জানান। তালিকায় কলকাতার বেশ কয়েকটি নামী বিরিয়ানির রেস্তোরাঁ আছে। রয়েছে বড় নামকরা মিষ্টির দোকানও। UPDATE: সম্পূর্ণ তালিকা পেতে এইখানে আঙুল দিন। রেস্তোরাঁগুলি বেশ জনপ্রিয়। সেখানে প্রচুর মানুষ নিয়মিত খান। পুজোর মুখে এই সিদ্ধান্তে যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হবে, তা বলাই যায়। তালিকায় রয়েছে করিমস, ডন জিওভানির মতো রেস্তোরাঁ।

গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতার প্রায় ১৬৭টি হোটেল, রেস্তোরাঁ, ছোট স্টল, বাজার ঘুরে দেখেন আধিকারিকরা। কোথাও মেলে ফ্রিজ ভর্তি পচা বা বাসি খাবার। কোথাও আবার দেখা যায় মিষ্টির দোকানে নোংরা, কীটপতঙ্গের ছড়াছড়ি। কোথাও মেলে কেজি কেজি ফাঙ্গাস ধরা খাবার। পচা মাংসও মেলে বেশ কিছু নামজাদা রেস্টুরেন্টে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, অনেকে বাইরে এখন খেতেও ভয় পাচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হচ্ছে সেই ভিডিও। 

গত তিন দিনে রাজ্যের ২,৩৩৭টি হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং খাবারের দোকানে তল্লাশি চালানো হয়েছে। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে অভিযানে একাধিক নামী রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে অনিয়ম ধরা পড়ে। পচা মাংস, মেয়াদোত্তীর্ণ তেল, ছত্রাক ধরা আলু এবং বেবিকর্নের মতো সামগ্রী পাওয়া যায়। মিষ্টি তৈরির ছানার মান নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।  

ট্যাংরাতেও অভিযান চালিয়ে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। সোনারপুরের একটি পরিচিত রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কামালগাজির মিষ্টির দোকান এবং ধনেখালির আইসক্রিমের দোকান থেকেও মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। গড়িয়ার একটি বাঙালি রেস্তরাঁয় পাওয়া গিয়েছে বাসি খাবার।

বনগাঁ এবং বাগদাতেও অভিযান হয়েছে। হেলেঞ্চা বাজারের একটি মিষ্টির কারখানায় ছত্রাক ধরা দই পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের পাশাপাশি মিষ্টিতে ক্ষতিকর রং ব্যবহারের অভিযোগও সামনে এসেছে।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement