Advertisement

NCPI-এর শীর্ষ নেতার সঙ্গে RSS যোগ, সেই দলে যোগ তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের

এনসিপিআই-তে যোগ দিলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। ত্রিপুরার বিধানসভা ভোটেও প্রার্থী এনসিপিআই। কৈলাশহর, ছাওমনু আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা। বাংলাতেও তাদের অস্তিত্ব রয়েছে।

এনসিপিআইয়ে যোগ তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের। এনসিপিআইয়ে যোগ তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 14 Jun 2026,
  • अपडेटेड 10:56 PM IST
  • ২০২৩ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ।
  • ত্রিপুরায় প্রার্থী দিয়েছিল দলটি।

রবিবাসরীয় দিল্লিতে বিরাট রাজনৈতিক নাটক। লোকসভায় ভাঙল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দিল্লিতে বিক্ষুব্ধ জোড়াফুলের ২০ সাংসদ। তাঁরা যোগ দিচ্ছেন ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টিতে। এই নতুন দলটির আত্মপ্রকাশ ২০২৩ সালে। 

২০২৩ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এনসিপিআই। পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরা, দুই রাজ্যেই তাদের অস্তিত্ব রয়েছে। ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থী হন দু’জন। উনকোটি জেলার কৈলাশহর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন জাহাঙ্গির আলি। অন্য আসনটি ধলাই জেলার ছাওমনু। ত্রিপুরায় দলের যাবতীয় সাংগঠনিক কাজকর্ম সামলাচ্ছেন শান্তনু সাহা। অন্যদিকে কলকাতার তরুণকুমার রায়ের সঙ্গে ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এনসিপিআই-এর জাতীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শান্তনু দে।

শান্তনু দে নিজেকে আরএসএস কর্মী এবং সমাজসেবী হিসেবে দাবি করেছেন। এই দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও বটে। তবে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তাঁদের দলে যোগদানের এই সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে খুশি নন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর সাফ কথা,'২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধেই লড়াই করেছিলাম। রাজনৈতিক মতাদর্শের দিক থেকে এনসিপিআইয়ের অবস্থান আগাগোড়াই তৃণমূল-বিরোধী’।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক একটি ফাউন্টেন পেনের নিব এবং এর সঙ্গে সাতটি স্ট্রোক।

NCPI

এ দিন প্রথমে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে হাজির হন বিক্ষুব্ধরা। সেখানে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলে। এরপরই তাঁরা সোজা চলে যান লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করতে। এই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়ের মতো বর্ষীয়ানের সঙ্গে দেব, সায়নীও রয়েছেন। 

স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিক্ষুব্ধ শিবিরের তরফে ঘোষণা করা হয়, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি নামক একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছেন তাঁরা। আগামী দিনে কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে সমর্থন করার কথাও জানিয়েছেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি, এই ২২ জন বর্তমান লোকসভায় তৃণমূলের মোট সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি। ফলে দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়ানো তাঁদের পক্ষে সহজ হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

এই ফাটল রুখতে পাল্টা কোমর বেঁধে নেমেছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তড়িঘড়ি স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠিয়ে দাবি করেছেন, এই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীকে সংসদীয় দল হিসেবে কোনওভাবেই যেন স্বীকৃতি বা সুযোগ-সুবিধা দেওয়া না হয়।


 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement